পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তের আর্জি, কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর
স্কুলের পর এবার পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি। রাজ্যের ৬০টি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি ফাঁস হয়েছে ইডির তদন্তে। তারপরেই কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। চিঠিতে তিনি পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করেছেন। এবং অবিলম্বে কেন্দ্রের তহবিলের টাকা দেওয়া বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন চিঠিতে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর
স্কুলের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে ফাঁস হয়ে গিয়েছে পুরসভার দুর্নীতির কাণ্ড। রাজ্যের প্রায় ৬০টি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোেগ উঠেছে। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করে এবার কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়নমন্ত্রী হরদীপ পুরীকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। সুকান্ত মজুমদার চিঠিতে লিখেছেন এই ৬০টি পুরসভায় কেন্দ্রীয় অনুদান পাঠানো অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন টাকা না পায় এই পুরসভাগুলি। এমনকী কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে অডিটের দাবিও জানানো হয়েছে চিঠিতে।

কেন্দ্রীয় সাহায্য বন্ধের দাবি
একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে এর আগেও বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সাহায্য বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। এবার পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হতেই কেন্দ্রীয় সাহায্য বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি চলছে কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করে। সেই দাবি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কেন্দ্রীয় অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। এর আগে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির অভিযোগ করেছে বিজেপি। তারপেই ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকী আবাস যোজনার টাকাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি
শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে গ্রেফতার করার পর ইডির হাতে এসেছে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য। ঝাড়ুদার থেকে ক্লার্ক। পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দিতে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হত। অয়ন শীলের সংস্থা এবিএসের মাধ্যমে একাধিক পুরসভার চুক্তি হত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই অয়ন শীলের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরসভার পরীক্ষার ওএমআর শিট। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমেই রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

কোটি কোটি টাকার লেনদেন
অয়ন শীলের গ্রেফতারির পর তাঁর ৩২টি অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সিজার লিস্টে সেই ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়েছেন তদন্তকারীরা। তাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেই তথ্য খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন। এই অ্যাকাউন্টের পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা লেনদেন হত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications