নজিরবিহীন ঘটনা বঙ্গ বিধানসভায়! অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি পরিষদীয় দলের
বঙ্গ বিধানসভায় এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। এবার সেই ঘটনারই সাক্ষী থাকল বিধানসভা। আনা হল অনাস্থা প্রস্তাব। তাতে কি সমস্যা বাড়তে পারে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের
একেবারে নজিরবিহীন ঘটনা বঙ্গ বিজেপিতে। বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই অধিবেশনের শুরুতেই বিধানসভায় রাজ্যপাল বক্তব্য রাখেন। আজ সোমবার রাজ্যপালের বক্তব্যের উপর আলোচনা ছিল। আর সে বিষয়ে বক্তব্য রাখছিলেন বিরোধী দলনেতা।
আর তা বক্তব্য রাখার সময়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আর এরপরেই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধেই অনাস্থা প্রস্তাব। আর তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।

আজই কাগজপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে বলে খবর
বিজেপির পরিষদীয় দলের তরফে আজ সোমবারই সচিবের কাছে এই বিষয়ে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। যা কার্যত নজিরবিহীন বলছেন বিশ্লেষকরা। শুভেন্দু অধিকারীর সংঘাতের পরেই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। বিরোধী দলনেতার দাবি, ইচ্ছাকৃত ভাবে বিরোধীদের বক্তব্য বাদ দেওয়া হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, অনাস্থা প্রস্তাবে ১৬টি পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, আজ সোমবার রাজ্যপালের উপর দেওয়া বক্তব্যের উপরে ভাষণ দিচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সময়ে তাঁকে থামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী এবং আইএস-আইপিএসদের সঙ্গে বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই থামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

সংখ্যাটা ফ্যাক্টার নয়
আর এরপরেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, ঘটনার পরেই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত বঙ্গ বিজেপির। বলে রাখা প্রয়োজন, সরকার কিংবা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যায়। তবে সেক্ষেত্রে ৩০ জনের সই দরকার। বঙ্গ বিজেপির এই মুহূর্তে ৭১ জন বিধায়ক। ফলে সংখ্যাটা ফ্যাক্টার নয়। অন্যদিকে বিধানসভার স্পিকার কেন অনাস্থা সে বিষয়ে জানতে তাহলে ৩০ জনকে উঠে দাঁড়িয়ে কারণ জানাতে হবে।

শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।
তবে ১৫ দিনের মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে হয়। তবে এবার ২২ তারিখ পর্যন্ত চলবে বিধানসভার অধিবেশন। ফলে এই সময়সীমার মধ্যে অনাস্থা আনা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে একটা সন্দেহ রয়েছে।
তবে এই অনাস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। ঘটনা প্রসঙ্গে তাপসর রায় বলেন, যে কেউ অনাস্থা আনতেই পারে। তবে বিধানসভা তো একজন কিংবা একটি পরিবারের কথায় চলবে না বলে মন্তব্য করেন তাপস রায়। আগে ওরা কাগজপত্র জমা দিক। তবে দেখা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিধায়ক। অন্যদিকে আজ অধ্যক্ষের সঙ্গে সংঘাতের পরেই বিরোধী দলনেতার সাসপেনশনের প্রস্তাব আনা হয়। যা নিয়ে সংঘাত তুঙ্গে।












Click it and Unblock the Notifications