তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক পরিবর্তন! এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারিত ৪ মন্ত্রী
তৃণমূলে (trinamool congress) বড় ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তন (organisational change)। এক ব্যক্তি এক পদ নীতি অনুসরণ করে চারমন্ত্রীকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে। এক সাংসদকেও জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে। অন্যদিক
তৃণমূলে (trinamool congress) বড় ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তন (organisational change)। এক ব্যক্তি এক পদ নীতি অনুসরণ করে চারমন্ত্রীকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে। এক সাংসদকেও জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছে। অন্যদিকে সাংগঠনিক কাজের সুবিধার জন্য বিভিন্ন জেলাকে ভাগ করা হয়েছে।

তৃণমূলের নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা
তৃণমূলের নতুন রাজ্য কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে রাখা হয়েছে দুজনকে। তাঁরা হলেন, শুভাশিস বটব্যাল এবং মহঃ সোহরাব। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আটজনকে। তাঁরা হলেন, গৌতম দাস, কৃষ্ণ কল্যাণী, শান্তিরাম মাহাত, রমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, মিনতি অধিকারী, প্রতুল চক্রবর্তী, শওকত মোল্লা, কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী।

সাংগঠনিক কাজের সুবিধার জন্য ভাগ করা হয়েছে জেলাগুলিকে
সাংগঠনিক কাজের সুবিধারা জন্য জেলাগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। তবে এই ভাগের আওতায় নেই আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম। দার্জিলিং জেলায় দার্জিলিং পাহাড় ও দার্জিলিং সমতল, এই দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদকে দুই ভাগে ভাগ করে জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদ-বহরমপুর নাম দেওয়া হয়েছে। নদিয়াকে ভাগ করে নদিয়া উত্তর (কৃষ্ণনগর) এবং নদিয়া দক্ষিণ (রানাঘাট) করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাকে দমদম-ব্যারাকপুর, বারাসত, বসিরহাট এবং বনগাঁ এই চারভাগে ভাগ করা হয়েছে। কলকাতা আগের মতোই দুইভাগে ভাগ রয়েছে। কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণ হিসেবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে ভাগ করা হয়েছে ডায়মন্ডহারবার-যাদবপুর এবং সুন্দরবন এই দুইভাগে। পূর্ব মেদিনীপুরকে ভাগ করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং কাঁথি এই দুইভাগে। পশ্চিম মেদিনীপুরকে ভাগ করা হয়েছে মেদিনীপুর এবং ঘাটাল এই দুইভাগে। বাঁকুড়াকে ভাগ করা হয়েছে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে। হাওড়া আগের মতোই হাওড়া শহর এবং হাওড়া গ্রামীণ এই দুইভাগে ভাগ লকরা হয়েছে। হুগলিকে ভাগ করা হয়েছে হুগলি-শ্রীরামপুর এবং আরামবাগে।

এক ব্যক্তি এক পদ অনুসরণ
এদিন তৃণমূলের সব থেকে বড় পদক্ষেপ হল এক ব্যক্তি এক পদের নীতি অনুসরণ করা। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের জয়ের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে এক ব্যক্তি একপদের নীতির কথা বলেছিলেন। তৃণমূল সুপ্রিমো ওয়ার্কিং কমিটির নেতাদের নিয়ে করা বৈঠকে দলীয় সংগঠনে রদবদলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা সভাপতিরা যেমন মন্ত্রী থাকতে পারবেন না, ঠিক তেমনই মন্ত্রীরাও জেলা সভাপতি থাকতে পারবেন না। কোনও সাংসদ জেলার সভাপতি থাকতে পারবেন না।

যাঁদের জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারিত করা হল
এদিন তৃণমূলের যেসব নেতানেত্রীকে জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারিত করা হল তাঁরা হলেন. উত্তর ২৪ পরগনার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পূর্ব মেদিনীপুরের সৌমেন মহাপাত্র, হাওড়া শহরের অরূপ রায়, হাওড়া গ্রামীণের পুলক রায় এবং নদিয়ার মহুয়া মৈত্র। উল্লেখযোগ্য হিসেবে উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি করা হয়েছে তাপস রায়কে।












Click it and Unblock the Notifications