রাজ্যে বন্যার আড়ালে কীভাবে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে মাদক পাচার চলছে, সামনে এল চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
মালদহ ও মুর্শিদাবাদের দীর্ঘ ৩০০ কিলোমিটার সীমান্ত বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে। বন্যার জল এই এলাকাগুলিতে ঢুকে পড়ায় আরও বেশি করে অবৈধ কাজকর্ম চলছে এখানকার সীমান্ত এলাকা জুড়ে।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলা বন্যায় ভেসে গিয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের বীরভূম, বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, বর্ধমান জেলা যেমন রয়েছে তেমনই উত্তরের দিকে মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলাও রয়েছে যেগুলি একটানা বৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এখানেই হয়েছে সমস্যা।
মালদহ ও মুর্শিদাবাদের দীর্ঘ ৩০০ কিলোমিটার সীমান্ত বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে। এই এলাকা দিয়ে সমানে অবৈধ কাজকর্ম চলতে থাকে। বন্যার জল এই এলাকাগুলিতে ঢুকে পড়ায় আরও বেশি করে অবৈধ কাজকর্ম চলছে এখানকার সীমান্ত এলাকা জুড়ে।

গরু পাচার তো রয়েইছে, পাশাপাশি এই মুহূর্তে রমরমিয়ে বেড়েছে মাদক পাচারের ব্যবসা। কারণ এই তিনশো কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্তের মধ্যে ১০০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নদী-নালা। যার মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়ে গঙ্গা ও পদ্মা। যা বর্ষায় ফুলেফেঁপে ওঠায় সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ছাড়ছে না অবৈধ পাচারকারীরা।
যার ফলে গরু ও মাদক পাচার হুড়মুড়িয়ে বেড়ে চলেছে। বাংলা থেকে তা সটান পাচার হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। নদীর চড়ায় বালির মধ্যে ঘাসগুলি বর্ষার সময়ে এক মানুষ সমান উঁচু হয়ে যায়। সেখানে দিনের বেলায় মাদক সামগ্রী লুকিয়ে রেখে রাতে তা বের করে পাচার করা চলছে। এমনকী সেই লম্বা ঘাসের মধ্য দিয়ে গরু নিয়ে গেলেও বোঝা যাচ্ছে না বলে বিএসএফ জানিয়েছে।
জানা গিয়েছে, গরু বা মোষ ভালো সাঁতার কাটতে পারে। সেই সুযোগে নদীতে সাঁতরেও গবাদি পশু পাচার চলছে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের সুটি, রঘুনাথগঞ্জ, জলঙ্গি, রানিনগর এলাকায় পাচার বেশি হচ্ছে। আগামিদিনে এই পাচার আটকাতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে সেটাই এখন দেখার।












Click it and Unblock the Notifications