মণীশ খুনে কৈলাশের নিশানায় ব্যারাকপুর কমিশনারেট! এনআরএস-এ উত্তেজনা বিজেপি নেতাদের ঘিরে
মণীশ খুনে কৈলাশের নিশানায় ব্যারাকপুর কমিশনারেট! এনআরএস-এ উত্তেজনা বিজেপি নেতাদের ঘিরে
মণীশ শুক্লার পরিবারকে সবরকমের সহযোগিতা এবং সঠিক বিচার পাইয়ে দেওয়া হবে। এদিন খড়দহে মণীশ শুক্লার(Manish Shukla) বাড়িতে গিয়ে এমনটাই আশ্বাস দিলেন, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়(kailash vijayvargiya), মুকুল রায়(mukul roy), অর্জুন সিংরা। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন তাঁরা।

পুলিশি তদন্তে আস্থা নেই
মণীশ শুক্লার পরিবারের তরফে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়। এই সময় বিজেপির প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্পষ্ট জানান পুলিশি তদন্তে আস্থা নেই তাঁদের। বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানান, সিবিআই কিংবা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে ঘটনার তদন্ত করানোর জন্য দাবি করবেন তাঁরা।

মনোজ বর্মা, অজয় ঠাকুরের ষড়যন্ত্র
মণীশ শুক্লার পরিবাবের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, ব্যারাকপুর কমিশনারেটের তদন্তে ভরসা নেই তাদের। তাঁর অভিযোগ, কমিশনার মনোজ বর্মা এবং অপর আধিকারিক অজয় ঠাকুরের ষড়যন্ত্রেই এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশের সতর্কবার্তা
বিজেপির তরফে রাজ্য পুলিশে আস্থা হারানোর কথা জানানোর পরেই রাজ্য পুলিশের তরফে বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয় ব্যারাকপুরের টিটাগড়ে রবিবার বিকেলে গুলিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ এই অপরাধের তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত নেতার বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার একাধিক অভিযোগ থাকায় ব্যক্তিগত আক্রোশের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, জানানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সিদ্ধান্তে আসতে রাজি নয় পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে থাকতেও অনুরোধ করা হয়েছে।

হাসপাতালে উত্তেজনা
এদিকে রবিবার রাতেই মণীশ শুক্লার দেহ নিয়ে যাওয়া এনআরএস হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর ময়না তদন্ত হয়। কিন্তু সকাল থেকেই সেখানে হাজির বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন। তিনি দেহ আনতেই সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ হাসপাতালে গেট আটকে দেয়। যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। পরে সেখানে যান বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।












Click it and Unblock the Notifications