১৬৩২ কাঠা জমি রয়েছে বাকিবুরের, বাজারদর ১০০ কোটি টাকা!
এবার আরও বড় সম্পত্তির হদিশ মিলল বাকিবুর রহমানের। বিশাল পরিমাণ জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। সেই জমির বর্তমান বাজার মূল্য চোখ কপালে তোলার মতো। ইডির সূত্রে পাওয়া খবর, বাকিবুর রহমানের ১৬৩২ কাঠা জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে।
এই জমির বর্তমান বাজার মূল্য ১০০ কোটি টাকার মতো। বিপুল পরিমাণ জমি কীভাবে কেনা হল? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই সম্পত্তির পরিমাণ দেখে হতচকিত ওয়াকিবহাল মহল। বেনামে আরও অনেক জমি ও সম্পত্তি বাকিবূরের থাকতে পারে। সেই ধারণা করছেন ইডি আধিকারিকরা।

প্রথমে জানা গিয়েছিল, ব্যবসা ফ্ল্যাট জমি বাড়ি মিলিয়ে বাকিবুর রহমানের সম্পত্তির পরিমাণ পঞ্চাশ কোটি টাকার মতো। বাংলার রেশন দুর্নীতিতে বাকিবুর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে বলে অভিযোগ। সে কারণেই এই রেশন ডিলারকে গ্রেফতার করে ইডি। তল্লাশি অভিযান চলে বিভিন্ন জায়গায়। একের পর এক ফাইল নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।
সেইসব ফাইল নথিপত্র দেখে আরও তথ্য বেরিয়ে আসছে। নিজেদের হেফাজতে আদালতের নির্দেশে বাকিবুর রহমানকে রেখেছে ইডি। তাকে নিয়ম করে জেরা করা হচ্ছে। তথ্য উঠে এসেছে ওই জেরায়। সেখানেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন আধিকারিকরা। ১০০ কোটি টাকার জমির হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। ১৬৩২ কাঠা জমি বাকিবুর রহমানের রয়েছে।
৯৫ টি জায়গাতে এই বিপুল পরিমাণ জমি কিনে রাখা হয়েছে। কীভাবে এত টাকার জমি কেনা সম্ভব হল? এইসব নিজের জমি? না কী অন্য কেউ কিনে তার নামে সেই জমি রেখে দিয়েছে? পরিবার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিও কি এর মধ্যে রয়েছে? কোনওভাবেই বাকিবুর রহমান অর্জিত উপার্জনে এত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি করতে পারেন না। এ কথা দাবি করছেন ইডি আধিকারিকরা।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, রেশন দুর্নীতির টাকা দিয়ে এইসব সম্পত্তি হয়েছে। শুধু তাই নয় আরও অনেক জায়গা থেকেও দুর্নীতির টাকা আসতে পারে। সেই সব তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। বিপুল পরিমাণ টাকা বাকিবুর রহমানের কাছে কীভাবে এল? এই প্রশ্ন উঠছেই।
তার নামে কি একাধিক বেআইনি সম্পত্তি থাকতে পারে? এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে উঠছে। সেইসব তথ্য খুঁজে বার করার চেষ্টা চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। বাকিবুর রহমানের ব্যাঙ্গালোরে হোটেল ব্যবসা রয়েছে। এছাড়াও দুবাইতে ১০ কোটি টাকা মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট পাওয়া গিয়েছে।
ধারাবাহিকভাবে জেরা চলছে বাকিবুর রহমানের। তার থেকে পাওয়া তথ্য আরও বড় রাস্তা দেখাবে। তবে তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাও মনে করছেন আধিকারিকরা। বাকিবুর যাতে তদন্ত ভুল পথে চালনা না করতে পারেন। সেদিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications