বাবুলকে কি সুব্রত বা অর্পিতার জায়গায় ভাবছে তৃণমূল, জল্পনার ঘনঘটা রাজ্য রাজনীতিতে
বাবুলকে কি সুব্রত বা অর্পিতার জায়গায় ভাবছে তৃণমূল, জল্পনার ঘনঘটা রাজ্য রাজনীতিতে
বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে তৃণমূলে নানা জল্পনা চলছে। কেন তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রথম একাদশে থাকতেই তৃণমূলে আসা। দিদি আমাকে বাংলার জন্য কাজের সুযোগ দিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁকে বাংলার জন্য কী কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তার প্রমাণ মেলেনি। তৃণমূলে তিনি এখনও পর্যন্ত সে অর্থে কোনও গুরুদায়িত্ব পাননি।

রাজ্যসভায় নাকি বিধায়কের পর মন্ত্রী
এই অবস্থায় পান থেকে চুন খসলেই জল্পনার পারদ চড়ছে। গোয়ায় তৃণমূলের সংগঠনের কাজে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাবুলকে। কিন্তু বাংলায় এখনও প্রথম একাদশে থাকতে দেখা যায়নি বাবুলকে। তিনি এখনও স্রেফ তৃণমূল নেতা। তাঁকে তৃণমূল রাজ্যসভায় পাঠাবে, নাকি বিধায়ক করে রাজ্যের মন্ত্রী বানাবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

বাবুলের মন্ত্রী হওয়ার দরজা খুলবে ফের!
তৃণমূল যদি তাঁকে রাজ্যের মন্ত্রী করে, তবে তা হবে বাবুলের কথার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। সেক্ষেত্রে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে- তাঁকে বালিগঞ্জ থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁর মন্ত্রী হওয়ার দরজা খুলে যাবে। রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন তিনি। প্রথম একাদশে থেকেই তিনি বাংলার জন্য কাজ করতে পারবেন।

রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে বাবুলকে
তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভায় যেতে পারেন বাবুল সুপ্রিয়, এমন সম্ভাবনার কথা তাঁর দলবদলের পরই রটেছিল। কারণ বাবুলের দলবদলের ঠিক আগেই তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষ পদত্যাগ করেছিলেন। তাঁর খালি আসনে বাবুলকে পাঠানো হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা যুক্তি খাঁড়া করেছিলেন। এখন আবার তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

অর্পিতার শূন্য আসন নাকি সুব্রতর?
তবে রাজনৈতিক মহলে বেশি জল্পনা ছিল মমতার মন্ত্রিসভায় বাবুল সুপ্রিয় ঢুকতে পারেন কি না তা নিয়ে। কলকাতা ও হাওড়ার পুর নির্বাচন জেতার পর মেয়র পদ নিয়েও বাবুলের নাম তুলে ধরেছিল একাংশ। এখন বেশি করে তাঁকে রাজ্যসভার টিকিট দেওয়া নিয়েই চর্চা চলছে। এখন দেখার অর্পিতার শূন্য আসন নাকি সুব্রতর শূন্য আসন ভরাট করেন বাবুল!

সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে প্রথম ১১-য়
বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ভবানীপুর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর নিজেই সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, তিনি প্রথম ১১-য় খেলতে চান, রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে চান না। তারপর পরপর দুটি উপনির্বাচনে তাঁকে প্রচারকের তালিকায় রাখেনি তৃণমূল। তাতে সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। তখন নিজে টুইট করে জানান কারণ। এখন সেই কারণও অতীত। কেননা বিজেপি সাংসদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বাবুল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বাবুলের গুরুত্ব
এখন দেখার, তৃণমূল তাঁকে কতটা গুরুত্ব দেন। বাবুলের কথামতো তাঁকে বাংলায় প্রথম একাদশে তৃণমূল সুযোগ দেয় কি না। এখন দুদিকে দুটি আসন ফাঁকা। তাই বাবুলকে কোন মাঠে প্রথম একাদশে রাখা হয়, সেটাই দেখার। বাংলার জন্য কাজের সুযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে কতটা দেন। আর কতটা তাঁকে বাংলার বাইরে কাজে লাগান। এখনও কোনও পদ বা কোনও গুরুদায়িত্ব না দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যে বাবুল গুরুত্ব পাচ্ছেন, তা দেখা গিয়েছে জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠানে।












Click it and Unblock the Notifications