ফেসবুক-টুইটারের পর ‘কু’-তে ঝড় অভিষেকের! তৃণমূল বনাম বিজেপির লড়াই তুঙ্গে
ফেসবুক-টুইটারের পর ‘কু’-তে ঝড় অভিষেকের! তৃণমূল বনাম বিজেপির লড়াই তুঙ্গে
শুধু জনসংযোগে হবে না, বাড়ি বাড়ি প্রচারেও না। এখন সবার হাতে মহা অস্ত্র হল সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্তিশালী না হলে পিছিয়ে পড়তেই হবে। তাই বিজেপিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় টেক্কা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল। ফেসবুক-টুইটার তো আছেই। এবার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় একে অপরকে টেক্কা দিতে এসে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া 'কু'।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভর করে বিজেপির এত রমরমা
বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়ায় সারা দেশজুড়ে অন্যদের অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে। বিগত সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভর করেই বিজেপির এত রমরমা। ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ বিজেপির জয়ের পিছনে অন্যতম কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক যোজন এগিয়ে থাকা।

বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল
তৃণমূল ২০১৯-এর নির্বাচনে বিজেপির কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে ধাক্কা খেয়েছিল। তারপরই ২০২১-এর নির্বাচনের আগে তারা তৈরি হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে। এক্ষেত্রে প্রশান্ত কিশোরের এন্ট্রি তৃণমূলকে সহায়তা করেছিল বিশেষভাবে। সোশ্যাল মিডিয়া যুদ্ধে তরতরিয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল।

টুইটারের পাশাপাশি কু-তেও সক্রিয় থাকবেন অভিষেক
সোশ্যাল মিডিয়া জগতে কু-এর প্রবেশের পরেই তৃণমূল তৈরি। কু-তে এগিয়ে থাকতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে ফেললেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কু এখন জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। এবার থেকে ফেসবুক, টুইটারের পাশাপাশি কু-তেও সক্রিয় থাকবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

কু-তে অ্যাকাউন্ট সর্বভারতীয় তৃণমূলের ও ত্রিপুরা তৃণমূলের
শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একা নন, কু-তে ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূলের এবং ত্রিপুরা তৃণমূলের। ইতিমধ্যে কু-তে সক্রিয় হয়েছেন বিজেপির একাধিক নেতা-নেত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে এই অ্যাপের প্রশংসা করেছেন। কংগ্রেসেরও অনেক নেতা ইতিমধ্যে কু-অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন।

কু-অ্যাপেও রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে উঠবে
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কু-অ্যাপের মাধ্যমে এবার লড়াই জমে উঠবে সমস্ত দলের মধ্যে। এর আগে যেভাবে ফেসবুক বা টুইট-যুদ্ধে সামিল হতে দেখা গিয়েছে, তেমনই কু-অ্যাপেও রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে উঠবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই নতুন অ্যাপের মাধ্যমে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে গুরুত্ব বাড়াতে চাইছেন।

তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তরণ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের নেতাদেরও অ্যাকাউন্ট খুলতে নির্দেশ দিয়েছেন। ফেসবুক-টুইটারের পর কুতেও অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকাও জরুরি বলে জানিয়েছেন অভিষেক। দিনের বিভিন্ন সময়ে অন্তত ৫টি করে টুইট করতে হবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের। এর ফলে তৈরি হবে ফ্যান বেস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের এই সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তরণের ভূমিকাও রয়েছে, যেটা সে অর্থে ছিল না ২০১৯-এ।












Click it and Unblock the Notifications