৮০ লক্ষ নতুন আবেদন, জাতীয় ভোটার দিবস পালন কলকাতায়
৮০ লক্ষ নতুন আবেদন, জাতীয় ভোটার দিবস পালন কলকাতায়
৮০ লক্ষ নতুন আবেদন, জাতীয় ভোটার দিবস পালন কলকাতায়
এ বছরের এপ্রিল–মে মাসেই কলকাতার পুরসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই খসড়া নির্বাচনী তালিকায় নাম উঠেছে প্রায় ৮০ লক্ষের। শনিবার জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্যের নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইট করে বলেন, 'আজকে জাতীয় ভোটার দিবস। আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র। গণতন্ত্র ভোটাররাই প্রধান। যারা ভোট দেন আমরা তাদের কুর্নিশ জানাই। আমরা সবাই নাগরিক।’ রাজ্য ও কলকাতা পুরসভা মিলিয়ে ১০৭টি পুরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এপ্রিল–মে মাসে।

জাতীয় ভোটার দিবস পালন
পশ্চিম বঙ্গ বাংলা অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত রাজ্যস্তরের জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব বলেন, ‘আমরা ৮০ লক্ষ নতুন ভোটারদের আবেদন পেয়েছি।' রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য সরকারি আধিকারিকরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভোটার তালিকায় ভালো কাজ, বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য ভোটদানের সুব্যবস্থা করা, ভোটারদের নানা প্রশিক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে পুরস্কৃত করা হল পূর্ব বর্ধমানের প্রাক্তন জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসক পি উলগানাথান এবং পুরুলিয়ার জেলা শাসক রাহুল মজুমদারকে।

মূর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি আবেদন পত্র জমা
ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য সব থেকে বেশি আবেদনপত্র জমা পড়ল মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে। তারপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা এবং তৃতীয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এবার ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য মোট ৮০ লক্ষ আবেদনপত্র জমা পড়েছে। যার মধ্যে নাম তোলার আবেদন হল ৩০ লক্ষের বেশি, সংশোধনের আবেদন জমা পড়েছে ৪০ লক্ষের বেশি এবং নাম বাদ দেওয়ার আবেদন হল প্রায় তিন লক্ষ। যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এর আগে সর্বাধিক ৪০ লক্ষ আবেদনপত্র জমা পড়েছিল।

ভোটার দিবসের ইতিহাস
এ বছরের জাতীয় ভোটার দিবসের থিম হল ‘শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচনী সাক্ষরতা'। ২০১১ সাল থেকে এই দিনটি পালন করা হচ্ছে। ১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি দেশের নির্বাচন কমিশন গড়ে উঠেছিল। তাই এই দিনটিকেই জাতীয় ভোটার দিবস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব বলেন, ১৯৫০ সালের আগে মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ ভোট দান করতেন। যাঁরা উচ্চবর্ণ, উচ্চশিক্ষিত তাঁরাই একমাত্র ভোট দিতে পারতেন। ভারতীয় সংবিধান তৈরি হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। এখন জাতপাত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ১৮ বছর হলেই সকলে ভোট দিতে পারেন। ১৯৫২ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যসচিব সুকুমার সেনকে দেশের ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু তাঁকে ওই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সুকুমার সেন দেশের প্রথম নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন। এতটাই সুষ্ঠুভাবে সেকাজ তিনি করেছিলেন যে, তাঁকে সুদানে নির্বাচন পরিচালনা করতেও পাঠানো হয়। সুদানে তাঁর নামে একটি রাস্তার নামকরণও হয়। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতে এই ভোট প্রক্রিয়া অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়।
-
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন











Click it and Unblock the Notifications