Paris Olympics: ছাত্রী জিতেছে অলিম্পিক্সে জোড়া পদক, রোজগারের জন্য চাকরির সন্ধানে মনুর কোচ
একদিকে, অন্যদিকে অন্ধকার। একই অলিম্পিক্সে জোড়া সোনা জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ভারতীয় শ্যুটার মনু ভাকের। ব্যক্তিগত এবং মিক্সড টিম ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছেন ভারতীয় কন্যা। একদিকে তাঁকে নিয়ে গোটা দেশে চলছে উচ্ছাস ও উন্মাদনা। তখন প্রচারের আলো থেকে অনেক দূরে তাঁর কোচ। অভাবেই দিন কাটছে চাঁর
মনু ভাকরের উত্থানে বড় অবদান আছে জসপাল রানার।২০২০ টোকিও অলিম্পিক্সে মনুর উপরে আশা করেছিলেন আপামর ভারতবাসী। কিন্তু সেখান থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছিল প্রতিভাবান শ্যুটারকে। একেবারে শেষ মুহূর্তে পিস্তল বিকল হয়ে যায় তাঁর। ছাত্রীর অসফলতায় রাতারাতি ভিলেন হতে হয়েছিল মনুর কোচ জসপাল রানাকেও। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সব অপমানের জবাব দিয়েছেন মনু।

এরপর কিছুটা অভিমানের শুরে জসপাল আরও বলেন, 'মনু হলেন তারকা, আমি একজন বেকার কোচ। আমি কেউ নই। মনু আমাকে তাঁকে সাহায্য করার জন্য বলেছিল, আমাকে প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। আমাকে শীঘ্রই একটি চাকরি খুঁজে বের করতে হবে, এই তিন বছর আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। আমি এই বিষয়ে কথা বলতে কখনই চাইনি।'
টোকিও অলিম্পিক্সের পর প্রবল সমস্যায় পড়েন মনুর কোচ। স্রেফ আর্থিক সমস্যা নয়, মানসিকভাবেও রীতিমতো হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন জসপাল। তাঁর কথায়, রাতারাতি সবার চোখে ভিলেন হয়ে যান তিনি। কোনও স্পোর্টস ইভেন্টে আমন্ত্রণ পেতেন না। সাক্ষাতকার নিতে চাইত না কেউ। ফলত নিজের অর্থ সমস্যার কথাও কাউকে জানাতে পারতেন না জসপাল।
জসপাল নিজেও অত্যন্ত বড়মাপের শুটার ছিলেন। ভারতীয় হয়ে আন্তজার্তিক দুনিয়ায় তিনি ছিলেন এক পরিচিত নাম। প্রাক্তন এই শুটার তাঁর অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য 'অর্জুন' এবং 'পদ্মশ্রী' পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, কোচ হিসেবে তিনি যে সফল, সেটা তো মনু ভাকেরই প্রমাণ। কিন্তু তিনি এখন আর্থিক সমস্যায়।












Click it and Unblock the Notifications