Paris Olympics: আরশাদের গাড়ির নম্বরেও অলিম্পিক্সের ছোঁয়া, ‘জঙ্গি’ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে বিতর্কে সোনাজয়ী
অলিম্পিক্সের ইতিহাসে প্রথমবার পাকিস্তানের অ্যাথলিট হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে পদক জিতে নজির গড়েছেন আরশাদ নাদিম। ১৯৯২ সালের পরে সাতটি অলিম্পিক্সে কোনও পদক পায়নি পাকিস্তান। সেই খরাও কাটিয়েছেন আরশাদ। ফলে দেশে ফেরার পর থেকেই নায়কের সম্নান পাচ্ছেন সোনাজয়ী অ্যাথলিট। বাবর-আফ্রিদিদের মতোই আরশাদও এখন পাকিস্তানের নতুন আইকন।
দেশে ফেরার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে উচ্ছাস ও উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। পাচ্ছেন প্রচুর উপহারও। এবার সরকারের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা এবং নতুন একটি গাড়ি পেলেন সোনাজয়ী অ্যাথলিট। সম্প্রতি পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ আরশাদের গ্রাম মিয়ান চুন্নুতে গিয়েছিলেন তারকা অ্যাথলিট ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুাসারে, তাঁকে ১০ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেন পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁকে দেওয়া হয় একটি নতুন গাড়িও। চমক আরও আছে। গাড়ির নম্বর প্লেটে আছে অলিম্পিক্সের ছোঁয়া। গাড়ির বিশেষ নম্বর প্লেটের অর্ডারও মুখ্যমন্ত্রীর তরফেই দেওয়া হয় বলে জানান ডেপুটি কমিশনার।
ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, 'আরশাদ সকলকে যে আনন্দ দিয়েছেন এবং দেশকে গর্বিত করেছেন, তার জন্য ওঁর এই সবকিছু প্রাপ্য। আরশাদের নতুন গাড়ির নম্বর ৯২.৯৭। এই নম্বরটির জীবনের সঙ্গে বিশেষ যোগ রয়েছে। কারণ ৯২.৯৭ মিটার থ্রো করেই সোনা জেতেন আরশাদ।
এরআগেও একাধিক উপহার পেয়েছেন নাদিম। উপহারের তালিকায় রয়েছে একটি ষাঁড়ও। দেশে ফিরে নিজের গ্রাম খানেওয়ালে যান আরশাদ। সেখানে আরশাদের শ্বশুর মুহম্মদ নওয়াজ তাঁকে একটি ষাঁড় উপহার দিয়েছেন। নওয়াজ় জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামে এই উপহার খুব সম্মানের।
ماں باپ کی دعا انسان کو کہاں پہنچا دیتی ہے ! ❤️ pic.twitter.com/QjMvX29SjA
— Maryam Nawaz Sharif (@MaryamNSharif) August 13, 2024
কিন্তু বিতর্কও যেন পিছু ছাড়ল না আরশাদকে। তাঁর সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যের কথা বলার ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুসারে, নাদিম পাকিস্তানে ফেরার পর তাঁর সঙ্গে অনেকে দেখা করতে যান। সেখানে তাঁকে দেখা গেল জঙ্গি সংগঠনের দুই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলছেন সোনাজয়ী।
দুই জন সন্দেহভাজনকে আরশাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। এই দুই জন হচ্ছেন মারকাজি মুসলিম লিগের সদস্য। এই মারকাজি মুসলিম লিগ হচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার রাজনৈতিক দল।সেই হিসেবে সে লস্কর-ই-তইবারও সদস্য। এই লস্কর-ই-তইবা তৈরি করে হাফিজ় সইদ। যে ২০০৮ সালে ভারতের হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল।
প্যারিস অলিম্পিক্সের ফাইনালের মঞ্চে পাকিস্তানের এই অ্যাথলিট শুরুটা ভালো করতে পারেননি। প্রথম থ্রো ফাউল হয় তাঁর। কিন্তু দ্বিতীয় থ্রো-তে রেকর্ড করে বাকি সবাইকে ছাপিয়ে যান। ৯২.৯৭ মিটারের থ্রো করে রেকর্ড সৃষ্টি করেন। এরপর ৮৮.৭২ মিটার, ৭৯.৪০ মিটার ও ৮৪.৮৭ মিটার থ্রো করেন। শেষ থ্রো ৯০ মিটারের বেশি করেন। নীরজের থেকে সোনার পদক ছিনিয়ে নেন।












Click it and Unblock the Notifications