CWG 2022 : মায়ের মুখের হাসি আর হাতের নারকেল ভাত, এর অপেক্ষাতেই রয়েছেন বাংলার সোনার ছেলে অচিন্ত্য
হাওড়ার ছোট্ট গ্রাম থেকে সোনার পদক এল ভারতের ঝুলিতে। সৌজন্যে আচিন্ত্য শেউলি। সোনা জিতে এবার দেশে ফিরবেন তিনি। দেশে ফিরে অপেক্ষা করে থাকবে অনেক অভিনন্দন, অনেক শুভেচ্ছা, কিন্তু বাংলার যুবক অপেক্ষায় রয়েছেন একটা অন্য জিনিষের।

এক্সট্রা টাইমের সঙ্গে কথা বলেন অচিন্ত্য। সংবাদ সংস্থাকে তিনি নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রথমেই তিনি বলেন মালেশিয়ার যে প্রতিযোগী ছিল সে বেশ কিছুটা চাপ দিচ্ছিল। তখন থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে আরও ভালো কিছু করতে হবে। আরও ভালো করলে তবেই পাল্টা চাপ দেওয়া যাবে। সেই চাপ বজায় রেখেই সোনা জয়।
তিনি এও বলেছেন যে ভারত সরকার , রিলায়েন্স এবং সেনাতে চাকরির অফারের মতো যদি এমন সুযোগ আসে তাহলে আমার পারফর্মেন্স করতে আরও সুবিধা হবে। এও জানিয়েছেন এই জয় সে দাদাকে উৎসর্গ করছে কারণ তাঁর সাহায্য ছাড়া এই জায়গায় আসা যেত না। লড়াইটা তাঁরা দুজনে একসঙ্গে লড়েছেন। এরপরেই বলেন যে একটা যে রেকর্ড তিনি করে ফেলেছেন সেটা জানতেন না। পরে জানতে পেরেছেন রেকর্ড হয়েছে। পদক এবং রেকর্ড দুয়ে মিলিয়ে বেশ খুশি। তবে সবচেয়ে বেশি যার জন্য সে খুশি তিনি হলেন মা। মায়ের হাসি মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।
আর বাড়ি গিয়েই মায়ের কাছে খেতে চাইবেন নারকেল ভাত। কেউ ভাত ডাল বলে, কেউ বলেন ভাত মাছ। সোনার ছেলের পছন্দ নারকেল ভাত। দেশে ফিরে মায়ের হাসি দেখে তারপরেই এটাই তাঁর কাছে আবদার থাকবে অচিন্ত্যর।
রবিবার দুটি স্বর্ণপদকের পরে, ভারত এখন কমনওয়েলথ গেমস পদক তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। জেরেমি ভারোত্তোলনে স্বর্ণপদক জিতেছেন এবং তারপরে অচিন্ত্য শিউলি মোট ৩১৩ কেজি (১৪৩ কেজি + ১৭০ কেজি) উত্তোলন করে রবিবার দ্বিতীয় সোনা জিতেছেন। মীরাবাঈ চানুর ঐতিহাসিক সোনা জয়ের পর থেকে ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে দ্বিগুণ স্বর্ণপদক ভারতের দখলে এসেছে। সংকেত সরগর বার্মিংহামে পদক জেতা প্রথম ভারতীয় ছিলেন।
পুরুষদের ৫৫ কেজি ভারোত্তোলন ইভেন্টে রূপো জিতেছিলেন। গুরুরাজা পূজারি ৬১কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জেতেন আর বিন্দিয়া রানী দেবী ৫৫ কেজি বিভাগে রূপো পদক দিয়ে দিনের শেষ করেন। সব পদক এসেছে এই ইভেন্ট থেকেই। অনেকগুলো ইভেন্ট রয়েছে যেখানে ভারতের সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications