সিপিএম-অধিকারী পরিবার আঁতাতের অভিযোগ! নন্দীগ্রাম মামলায় কেন কেস হয়নি গদ্দারদের নামে, প্রশ্ন মমতার
নন্দীগ্রাম মামলায় কেন কেস হয়নি গদ্দারদের নামে? নন্দীগাম মামলায় অধিকারী পরিবারের সঙ্গে বামেদের সঙ্গে যোগসাজস রয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর পিছনে কারা? ভোটে এবার এটাই মূল ইস্যু। একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অধিকারী পরিবারের দিকে আঙুল তুলছেন তো আবার কখনও পালটা অধিকারী পরিবারও। এই পরিস্থিতিতে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ভোট প্রচারের আর কয়েক ঘন্টা বাকি রয়েছে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী তো অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও শেষমেশ নন্দীগ্রামে শেষ হাসি কে হাসবে তা জানা যাবে আগামী ২ মে। আর তার আগে ফের একবার নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাপ বেটার পারমিশন ছাড়া নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢুকতে পারত না!
রবিবার নন্দীগ্রাম নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, সেদিন বাপ বেটার পারমিশন ছাড়া নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢুকতে পারত না। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি। রেয়াপাড়ায় ২০০৭-এর ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢোকা নিয়ে অধিকারী পরিবারকে প্রথম কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, "যাঁরা গুলি চালিয়েছিল, তাঁদের মনে আছে? সেদিন পুলিশের ড্রেস পরে এসেছিল মনে আছে? হাওয়াই চটি পড়ে এসেছিল বলে ধরা পড়ে গিয়েছিল। এবারও সেসব কেলেঙ্কারি করছে। অনেক বিএসএফ-সিআইএসএফের ড্রেস-ট্রেস কিনেছে। যাঁরা এসব করে, তাঁরা জানে। এই বাপ বেটার পারমিশন ছাড়া সেদিন নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢুকতে পারত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পরই রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল!

সিপিএমের সঙ্গে অধিকারীর পরিবারের আঁতাতের অভিযোগ
রবিবারের পর ফের সোমবার! নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে ফের একবার অধিকারী পরিবারকে তীব্র আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আজ সোমবার কার্যত সিপিএমের সঙ্গে সেই সময় অধিকারীর পরিবারের যোগসাজশের অভিযোগ করলেন নেত্রী। এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, নন্দীগ্রামে ভূমি আন্দোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কেস হয়। সেই কেসে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত। পরে ওরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে কেস শুরু করে। এখন সুপ্রিম কোর্টে সেই কেস চলছে। একমাত্র অধিকারী পরিবারের নামেই কোনও কেস নেই।

আরও বিস্ফোরক মমতা
নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে আরও বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে গুলি চলেছিল সিপিআইএম ও অধিকারী পরিবারের যোগসাজশে। আর তাই অধিকারীর পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। কোনও মামলা করেনি সিপিআইএম। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে পুলিসের গুলি চালানো নিয়ে ঠাকুরচকের সভায় আরও একধাপ সুর চড়িয়ে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার বিস্ফোরক অভিযোগের জবাব!
নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢোকার কথা জানতেন শিশির অধিকারী ও শুভেন্দু অধিকারী। ১৪ মার্চ, নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢোকা নিয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিপিআইএম নয়, ২০০৭-এর ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢোকার দায় কার্যত অধিকারী পরিবারের ঘাড়ে ঠেলে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, নন্দীগ্রামের মানুষ সব কিছুই জানেন। সত্যিটা জানেন। আগামী ১ তারিখ নন্দীগ্রামের মানুষ জবাব দিয়ে দেবে বলে দাবি শুভেন্দুর।












Click it and Unblock the Notifications