রাজ্যপালের উপর নজরদারির অভিযোগ, রাজভবনে কলকাতা পুলিশ নিয়োগ নিয়ে ব্যাখ্যা তলব সিভি আনন্দ বোসের
হঠাৎ করেই রাজভবনের নীচের তলার নিরাপত্তায় দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে কলকাতা পুলিশকে। তাই নিয়ে নতুন করে তুঙ্গে রাজভবন রাজ্য সরকার সংঘাত। রাজ্যপালের উপর নজরদারি চালাতে কলকাতা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাজভবনে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।
কেন হঠাৎ করে রাজভবনের ভেতরে নিরাপত্তার দায়িত্বে কলকাতা পুলিশ মোতায়েন করা হল তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনারের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর রাজভবনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যপালের রেসিডেন্স এবং অফিসের নিরাপত্তার দায়িত্ব যেন কলকাতা পুলিশ সিআরপিএফের হাতে স্থানান্তরিত করে।

এই নিয়ে চরম রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। সাধারণ রাজ্যপাল এবং রাজভবনের ভেতরে নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকে সিআরপিএফের হাতে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজভবনের নিচের তলার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে দেখা গিয়েছে কলকাতা পুলিশকে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
হঠাৎ করে রাজভবনে কলকাতা পুলিশের তৎপরতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। মনে করা হচ্ছে রাজ্যপালের গতিবিধির উপরে নজরদারি চালাতেই কলকাতা পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে রাজভবনে। গোটা রাজভবন জুড়ে কলকাতা পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে নজরদারি চালাত। যদিও এতে সিআরপিএফে ভূমিকা বেশি থাকে। রাজ্যপালের রেসিডেন্সিয়াল এলাকা এবং রাজ্যপালের অফিসে কিছুতেই কলকাতা পুলিশ নিরাপত্তার দািয়ত্বে থাকতে পারে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সম্প্রতি রাজভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে আসা কলকাতা পুলিশের দুই কর্মীর আচরণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। লাল বাজারকে সেই তথ্য দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ করে রাজভবনে কলকাতা পুলিশের তৎপরতা নিয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। রাজ্যবাসীর অভিযোগ শুনতে মাঠে ময়দানে বেরিয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে সিভি আনন্দ বোসকে। সংঘর্ষ বিধ্বস্ত ভাঙড়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকী রাজ্যে উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের তুমুল বিরোধ তৈরি হয়েছে। সার্চ কমিটি গঠন নিয়েও বিবাদ তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications