বাগরি মার্কেটের আগুন কেন ভয়ঙ্কর, কী বলছেন দমকল কর্মীরা
দূর্গাপুজোর আগে আরও এক বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে কলকাতা। ২০০৮ সালের বড় বাজারের নন্দরাম মার্কেটের বিধ্বংসী আগুনের স্মৃতি উস্কে , এদিন ভয়াবহু আগুনে বিপর্যস্ত হয় মধ্য কলকাতার বাগরি মার্কেট।
দূর্গাপুজোর আগে আরও এক বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে কলকাতা। ২০০৮ সালের বড় বাজারের নন্দরাম মার্কেটের বিধ্বংসী আগুনের স্মৃতি উস্কে , এদিন ভয়াবহ আগুনে বিপর্যস্ত হয় মধ্য কলকাতার বাগরি মার্কেট। শনিবার রাত আড়াউটে নাগাদ এই বিধ্বংসী আগুন লাগে মার্কেটে। ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি দমকলের ৩০ টি ইঞ্জিন। আগুনে বহু কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এদিকে, ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে বাগরি মার্কেটের আগুন। দেখে নেওয়া যাক কেন এই আগুন ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

বাগরি মার্কেট ঘিরে কয়েকটি তথ্য
বাগরি মার্কেট কলকাতার অন্যতম হোলসেল মার্কেট । যেখানে থেকে শুধু কলকাতা নয়, উত্তর পূর্ব ভারতের বিভিন্ন স্থানে নান ধরনের জিনিস পাইকারী করা হয়। রয়েছে বহু ওষুধ ও প্রসাধনীর দোকান।

আগুন ভয়াবহ হয়ে ওঠার কারণ
বাগরি মার্কেটে রয়েছে একশোরও বেশি ওষুধ ও প্রসাধনীর দোকান। প্রসাধনী ও ওষুধদের দোকান থেকে রাসায়নিকের মাধ্যমে আগুন ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কেটের বাইরেও রাসায়নিক মজুত ছিল বলে সূত্রের দাবি। পারফিউম থেকে বডি-স্প্রে রয়েছে মার্কেটের মধ্যে। ফলে সেই দাহ্য বস্তু থেকে আগুন আরও বেশি করে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সমস্ত কিছু মিলিয়ে কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে বাগরি মার্কেট।

শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ
৬ তলার বাগরি মার্কেট বিল্ডিং এর দোতলার বেশি উঠতে পারেননি দমকল কর্মীরা। ক্রমাগত মার্কেটের ভিতর থেকে ভেসে আসছে বিস্ফোরণের শব্দ। আগুনের তীব্রতার জন্য ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা মার্কেট চত্বর। যতক্ষণ না পর্যন্ত সমস্ত দাহ্য বস্তু পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন বলে দাবি দমকলকর্মীদের।

আশঙ্কার মেঘ কতটা?
আগুনের প্রবল তাপের ভেঙে পড়ছে মার্কেটের বিভিন্ন দিকের দেওয়াল। বহু দেওয়ালে ফাটল ধরেছে। ফলে এই মুহূর্তে চরম বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বাগরি মার্কেট। বিস্ফোরণের ফলে অগ্নি -স্ফুলিঙ্গ বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। মার্কেটের প্রবেশ পথ যেমন বিপদে, তেমনই বিপদে এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা কেবলের তার। সেই তারে অগ্নি-স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়লেও তা চরম বিপদ ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা। এদিকে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ইলেকট্রিক সার্কিট। এসি মেশিনে মজুত মিথেন গ্যাসের মাধ্যমে আগুন ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications