"আপনাদের কাজে খুব খুশি", পুলিশের প্রশংসা করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়
পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করলে সেখানে তাদের আর কীই বা করার আছে? এমনই বক্তব্য রাখলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
পিএফ দুর্নীতি মামলার শুনানি হচ্ছে কলকাতা হাইকোর্টে৷ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই শুনানি চলছে। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসিকে তলব করেছিলেন।এফআইআর নেওয়া হয়নি। এমন অভিযোগ সামনে এসেছিল।

আদালতের নির্দেশ মেনে এদিন বিকাল ৩:৫০ মিনিটে হাজিরা দিলেন হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসি। তার আগেই এফআইআর রুজু হয়েছে। এমনই আদালতকে অবগত করেন ইডি ও এসএফআইওর আইনজীবীরা।
হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসি সুমিত দাশগুপ্তকে তলব করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিকেল ৩:২৫ মিনিটে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টে এসএফআইও জানায়, দুপুরে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। থানা থেকে বলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ নামার কপি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির পরে এফআইআর দায়ের করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
শুক্রবার চারটের কাছাকাছি সময়ে উপস্থিত হন ওসি৷ " আমরা সবাই দরিদ্র মানুষ। জানেন তো, ডিরেক্টর মাটির বাড়িতে থাকেন। সবার তো আর ১০ তলা বাড়ি নেই। ২১ কোটি টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ড বকেয়া। একটু শক্ত হাতে কাজ করুন। এক্ষেত্রে আপনারা খুব ভালো কাজ করেছেন। আপনাদের কাজে আমি খুব খুশি। ওসিকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেন বিচারপতি।
পুলিশের ভুয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন,"আমি লক্ষ্য করেছি যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তি যুক্ত থাকেন না, সেখানে তিন দিনের মধ্যে অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়। কিন্তু রাজনৈতিক ব্যক্তি যুক্ত থাকলে অনেক বেশি দিন সময় লাগে। আমি ব্যক্তিগতভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। পুলিশের বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই। আপনাদের কাজ না করতে দিলে আপনারা আর কী করবেন ? আপনাদের নির্বিঘ্নে কাজ করতে দিলে সাধারণ আইন শৃঙ্খলার কোনও সমস্যাই থাকে না।"
এদিন রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য একদিন সময় চাইল এসএফআইও। ১০মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট দাবি করেছিলেন বিচারপতি। শুনানির পরবর্তী দিন রিপোর্ট দেবে এসএফআইও এবং ইডি। এজলাসে উপস্থিত এসএফআইওর দুই আধিকারিককে তদন্তকারী আধিকারিক হিসাবে নিযুক্ত করল আদালত। পরবর্তী শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি।












Click it and Unblock the Notifications