চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসাতালে অগ্নিকাণ্ড, আগুন কলকাতার আরও ২ স্থানে

কলকাতা শহরে প্রায় একই তিনটি বড় সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। যার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ আগুন লাগে। তপসিয়ায় একটি বহুতলেও একই সময়ে আগুন লাগে।

কলকাতা শহরে প্রায় একই তিনটি বড় সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। যার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ আগুন লাগে। তপসিয়ায় একটি বহুতলেও একই সময়ে আগুন লাগে। এছাড়াও পোস্তায় একটি বন্ধ দোকানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসাতালে অগ্নিকাণ্ড, আগুন কলকাতার আর ২ স্থানে

জানা গিয়েছে, চিত্তরঞ্জন ক্য়ানসার হাসপাতালে এদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ জেনেটিক ল্যাবে কাজ করছিলেন কর্মীরা। আচমকাই গোটা ল্যাব ধোঁয়ায় ঢেকে যেতে থাকে। আতঙ্কে ল্যাবের কর্মীরা ল্যাব থেকে বেরিয়ে আসেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই জেনিটিক ল্য়াবে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের ঠিক চার তলায় এই ল্য়াব। এখানেই রয়েছে ইনভেস্টিগেশন ল্যাব। সমস্ত কর্মী ও রোগীদের পরিবারের লোকজন-কে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের এই বিল্ডিং থেকে বের করে আনা হয়।

আগুন নেবাতে ঘটনাস্থলে প্রথম দু'টি দমকলের ইঞ্জিন যায়। এরপর আরও একটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। জেনেটিক ল্যাবের বিল্ডিং-এর গায়েই রয়েছে রোগীদের বিল্ডিং। সেখানে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ব্যবস্থা নেন দমকলের কর্মীরা। মনে করা হচ্ছে ইলেক্ট্রিকের শর্ট-সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডে জেনেটিক ল্যাব-এর বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। মূলত ক্যানসার গবেষণায় এই ল্যাবটি ব্যবহৃত হয়।

তপসিয়াতে একটি বহুতলেও এদিন আগুন লাগে। একতলায় ইলেক্ট্রিকের ট্রান্সফরমার রুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা বহুতলটাই ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। এই বহুতলে রয়েছে গাড়ির শোরুম থেকে একাধিক অফিস। পুরো বিল্ডিং থেকে সমস্ত লোকজনকে বাইরে বের করা হয়। দমকলের দুইটি ইঞ্জিন পঁয়তাল্লিশ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দেখা যায় আগুন তাপে ট্রান্সফরমার রুম পুড়োপুড়ি পুড়ে গিয়েছে। ইলেক্ট্রিকের কেবল পুরো গলে গলে পড়ে রয়েছে। শর্ট-সার্কিট থেকে এখানেও আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে দমকল।

এদিকে, পুজোর আগেই বড়বাজারের বাগরি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আতঙ্ক ফেলেছিল। সেই ঘটনার ভয়াবহতা এখন অনেকের চোখের সামনে ভাসে। এই ভয়ানক স্মৃতির রেশ মেলাতে না মেলাতেই এদিন বেলার দিকে পোস্তার নলিনীশঙ্কর রোডে একটি বন্ধ দোকানে আগুন লাগে। এই দোকানটি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ ছিল। বর্তমানে এটি স্টোররুম হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখানে স্টেশেনারি ইমিটেশন-এর গয়না-গাটি মূলত রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে এই দোকান থেকেও ধোঁয়া বের হতে দেখে আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনাস্থলে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন গেলেও সরু রাস্তার জন্য দোকান পর্যন্ত দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছতে পারছিল না। ফলে, প্রকথম দিকে এখানে আগুন নেবাতে বেগ পেতে হয়। তবে, খানিক চেষ্টার পর পাইপ টেনে টেনে নিয়ে গিয়ে দোকানের কাছে পৌঁছন দমকল কর্মীরা। আগুন আপাতত নিরাপদ। তবে, আগুন নেবাতে দেরি হওয়ায় আতঙ্কে ভুগছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কারণ এলাকাটি ঘিঞ্জি। তারপর আশপাশেও প্রচুর দোকান রয়েছে। আগু ন আপাতত নিয়ন্ত্রণে আসায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।

{document1}

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+