High Court: হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের ক্ষোভের মুখে পর্ষদ, সাত দিনে জবাব দিতে হবে
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানির প্রথম দিনেই বিচারপতিদের তোপের মুখে পর্ষদ। কলকাতা হাইকোর্টে এক ধরনের কথা বলা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে আবার অন্য ধরনের কথা বল হচ্ছে। কেন এমন করছে পর্ষদ? সেই প্রশ্নই তুলেছেন বিচারপতিরা।
তারা কীভাবে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আলাদা বক্তব্য রাখতে পারে? কেন বলা হচ্ছে এমন কথা? সেইসব পরিষ্কার করে পর্ষদকে জানাতে হবে। এভিডেভিডের মাধ্যমে কলকাতা হাইকোর্টকে জানাতে হবে। এজন্য সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

গত মাসের ৯ তারিখে শীর্ষ আদালত একটি নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মতো শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সমস্ত মামলা আগামী কাল শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে। এমনই জানিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।
মুল যে যে বিষয় এদিন নির্দেশে জানানো হয়েছে, সেগুলি হল, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা শীর্ষ আদালত কেন হাইকোর্টে পাঠালো? সেটি আগে বুঝতে চায় হাইকোর্টের নবগঠিত ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ জানাচ্ছে এখানে একাধিক মামলা রয়েছে। তার মধ্যে আরও নতুন আবেদন যুক্ত হবে কী না। বা একই ধরনের মামলা থাকলে সেই মামলার সংখ্যা কমিয়ে এনে একসঙ্গে শুনানি করা হবে কী? সেইসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজ্যের হয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলা লড়ছেন। তাঁর বক্তব্য, এই সমস্ত মামলায় রাজ্যকে পার্টি করা হয়নি। একতরফা ভাবে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ফলে এই মামলা আদালতে আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়।
ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, সমস্ত প্যানেল যদি বাতিল করা হয়, তাহলে বেশ কয়েক বছর চাকরি করার পর হটাৎ করে এই কর্মরতদের বিতাড়িত করা হবে। সমস্ত দিক ক্ষতিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। কোন আইনের বলে চাকরি বাতিল করা হবে? সেটি স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে জানতে চাইছে কলকাতা হাইকোর্ট।
আগামী কাল শুনানি শুরু হবে নতুন গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে।
পর্ষদের কাছে ওই বিষয় জানতে চেয়েছে আদালত। ফলে কিছুটা ফাঁপড়ে পড়তে পারে পর্ষদ। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications