দুর্নীতিবাদের জন্মদাতা! রেড রোডে মিহিলাল শেখকে মঞ্চে বসিয়ে মমতা-ভাইপোকে নিশানা শুভেন্দুর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে পরিবারতন্ত্র আর তোষণের রাজনীতি করছেন। এদিন রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভায় এমনটাই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকার সংখ্যালঘুদের হকের টাকা চুরি করেছে। এমএসডিপির টাকা ব্যাপকভাবে লুট করা হয়েছে। গিয়াসুদ্দিন মোল্লা এক পিছনে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা রাজ্যের বাইরে যেতে মাধ্য হচ্ছেন। ৪৫ লক্ষ পরিযায়ী বাইরের রাজ্যে রয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের জন্য কোনও কিছুর বন্দোবস্ত করতে ব্যর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন করেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় এনআরসির কথা বলছেন, বলছেন তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অশান্তি লাগিয়ে এনআরসির জুজু দেখিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন ইদের দিন ধর্মীয় সভা থাকলেও, সেই সভাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক সভায় পরিণত করেছিলেন।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড় নাট্যকাল পিসি মনি। তিনি রেড রোডে দুদিনের ধর্নায় বসেছিলেন। আর কোন ওয়াশিং মেশিনে তেজস্বী যাদবকে পরিষ্কার করলেন প্রশ্ন করেন বিরোধী দলনেতা। গত শনিবার জোর করে ঢুকে বড়েছিলেন খিলাফত কমিটির অনুষ্ঠানে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এবার ভাতিজা রুমাল মাথায় দিয়েছিল, কিন্তু টুপি পরেনি। তিনি বলেন, সাগরদিঘিতে সংখ্যালঘু আর আর নন্দীগ্রামে সনাতনীদের গুঁতোয় এই পরিস্থিতি। এদিন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার মিটিং-এ উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল বগটুইয়ের মিহিলাল শেখ।

২০২১-এর নির্বাচনে সংখ্যালঘুরা দুহাত ভরে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁরা তৃণমূলের থেকে সরতে শুরু করেছে। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যা অশান্তি শুরু করেছেন। আর সংখ্যালঘুদের বোঝাতে শুরু করেছেন তারাই সংখ্যালঘুদের রক্ষা কর্তা। তিনি এনআরসির কথাও বলছেন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সংখ্যালঘুরা আগে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক ছিলেন না। মধ্যে কিছুদিনের জন্য হয়েছিল। তবে ভবিষ্যতেও তারা ভোটব্যাঙ্ক থাকবেন না, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে এমনটাই বলেছেন বিরোধী দলনেতা।
Recommended Video
এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত, সজল ঘোষ, মাফুজা খাতুনের মতো নেতা নেত্রীরা। শুভেন্দু অধিকারীর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পে রোলে থাকা পুলিশ এই সভার অনুমতি না দিলেও আদালত সেখানে অনুমতি দেয়। আদালত সাড়ে বারোটার মধ্যে সভা শেষের নির্দেশ দেয়। সেই মতোই কাজ হয়।












Click it and Unblock the Notifications