Suvendu Adhikari: মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় ভোটে হিন্দুদের জন্য বিশেষ বুথ! নির্বাচন কমিশনে দাবি জানাবেন শুভেন্দু
Suvendu Adhikari: চাকরি বাতিল ইস্যু থেকে মুর্শিদাবাদের হিংসা নিয়ে প্রতিবাদ দমিয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সোমবার বিধানসভার বাইরে এমনই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুর্শিদাবাদের দুর্বিষহ অবস্থা তুলে ধরায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শয়ে শয়ে অ্যাকাউন্ট ব্লক করিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি শুভেন্দুর। হিন্দু ভোটারদের জন্য এবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বিশেষ বুথের ব্যবস্থা করারও দাবি তুললেন বিরোধী দলনেতা।
মুর্শিদাবাদের ঘটনার আবহেই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিন্দু ভোটারদের জন্য বিশেষ বুথের ব্যবস্থা করার দাবি তুললেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, "৫০ শতাংশের কম হিন্দু হলে ভোট দিতে দেবে না। সিতাই, দিনহাটা, ক্যানিং, হাড়োয়া, গোসাবা, মিনাঁখায় ভোট দিতে দেবে না। নির্বাচন কমিশনকে বলবে, হিন্দুদের জন্য আলাদা বুথ তৈরি করতে হবে।"

বিরোধী দলনেতা বলেন, "যেখানে হিন্দু ভোটাররা মুসলিম এলাকা দিয়ে ভোট দিতে যায়, সেখানে তাদের যেতে দেওয়া হবে না। তাই হিন্দু পল্লিতেই স্পেশাল বুথ করে ভোট দিতে হবে। করোনার সময় বাড়িতে গিয়ে ভোট হলে, হিন্দুদেরও জন্য এটা করতে হবে। অবিলম্বে বুথ ধরে জনবিন্যাস বিচার করে এরকম এলাকার তালিকা যেন নির্বাচন কমিশনে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল পাঠান।" তিনি নিজেও কমিশনকে জানাবেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু।
সোমবারই মুর্শিদাবাদে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। যদিও মুর্শিদাবাদে যেতে তাঁকেই সবরকমভাবে আটকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। বিরোধী দলনেতা বলেন, "রাজ্য সভাপতি পৌঁছেছেন, মানে দল পৌঁছেছে। কিন্তু আমাকে আটকানো হচ্ছে। ইন্টারনেট চালু হবার পর মুর্শিদাবাদে যাওয়ার জন্য বহু মেল পেয়েছি। বুধবার আশা করি কোর্টের অর্ডার পাবো। অনেক এনজিও আমাকে সাহায্য করছে। বড় পরিকল্পনা নিয়েছি। যাদের যা গেছে সব ফিরিয়ে দেওয়া হবে।"
মুর্শিদাবাদের হিংসা নিয়ে সত্যি ভিডিও দেওয়ার জন্য রাজ্য মামলা করছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। তিনি বলেন, "জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ানে প্রতিহিংসা ছড়াচ্ছে রাজ্য। ফেসবুকে ১১৮৫ জনের বিরুদ্ধে কেস করেছে। ৯১৮টা অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে ৩৫৮টি কেসে ৩৩৮টা অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে। কোন রাজ্যে আছেন? বাংলাদেশি যোগ নয়, মুর্শিদাবাদের দাঙ্গায় নেতৃত্ব দিয়েছে ধুলিয়ানের চেয়ারম্যান, ধুলিয়ান টাউনের সভাপতি, ফরাক্কার বিধায়ক।"
এরপরই শুভেন্দুর অভিযোগ, কোচবিহারের ভাওয়াইয়া শিল্পী মণীন্দ্র বর্মণ ২৬ হাজার চাকরি চুরি নিয়ে গান গেয়েছিলেন। চারবার তার বাড়িতে পুলিশ গিয়েছে। শিল্পীর মোবাইল জমা দিতে বলেছে পুলিশ। শিল্পীর পাশে দাঁড়িয়ে এরপরই বিরোধী দলনেতার হুঁশিয়ারি, "কোচবিহারের এসপিকে চ্যালেঞ্জ করছি, ক্ষমতা থাকলে ওনার কেশাগ্র স্পর্শ করে দেখুন।"
মাথাভাঙা থানায় ও এসপি কোচবিহারকে মেল করার কথাও জানান শুভেন্দু। বলেন, মণীন্দ্র বর্মণের নামে এফআইআর করে থাকলে কপি ফরওয়ার্ড করতে বলা হবে মেলে। সেক্ষেত্রে মণীন্দ্র বর্মণকে লিগ্যাল সাপোর্ট করা হবে। মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের দুরবস্থা নিয়ে গীতা বর্মণও গান করেছেন, সেকথা জানিয়ে তাকেও ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু।












Click it and Unblock the Notifications