৭৫ জন বিধায়কই বিজেপিতে আছেন! তৃণমূলের দাবিতে কোনও অসুবিধা নেই শুভেন্দুর
৭৫ জনের মধ্যে ইতিমধ্যে ৬ জন যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে, ৪৮ ঘণ্টা আগেই আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তারপরও শুভেন্দুর দাবি, বিজেপিতে ৭৫ জনই আছেন।
একুশের নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির পরিষদীয় টিমে থাবা বসিয়ে চলেছে তৃণমূল। বিজেপির টিকিটে ৭৭ জন জয়ী হয়ে রাজ্য বিধানসভায় গেলেও, বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কমতে কমতে ২১ মাসেই নেমে এসেছে ৬৯-এ। তারপরও শুভেন্দু অধিকারী এদিন দাবি করলেন, ৭৫ জন বিধায়কই বিজেপিতে আছেন!
শুভেন্দু অধিকারী এদিন স্পষ্ট করে দেন, তৃণমূল যে দাবিই করুক না কেন, তার কোনও অসুবিধা নেই। বিজেপির ৭৭ জন বিধায়ক একুশের নির্বাচনে জিতেছিল। তারপরই দুই বিধায়ক সাংসদ পদ রক্ষা করার জন্য পদত্যাগ করেন। ফলে বিজেপি কমে ৭৫ জন হয়ে যায়। সেই ৭৫ জনই বিজেপিতে রয়েছেন।

৭৫ জনের মধ্যে ইতিমধ্যে ৬ জন যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে, ৪৮ ঘণ্টা আগেই আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তারপরও শুভেন্দুর দাবি, বিজেপিতে ৭৫ জনই আছেন। তাঁর দাবির সমর্থনে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কালকেই বিধানসভায় আসুন দেখবেন ৭৫ জনই বিজেপির দিকে রয়েছেন। আসলে ওরা যখন বিধানসভার ভিতরে থাকবে সবাই বিজেপি। আর বাইরে তৃণমূল। ভিতরে যখন ওরা বিজেপি, তখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমার কী অসুবিধা! এদিন তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুকুল রায় থেকে শুরু করে সুমন কাঞ্জিলাল পর্যন্ত ৬ জন বিধায়ক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেও কেউ বিধায়ক পদত্যাগ করেননি। বিধায়ক থেকেই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে তাঁরা ভিতকে বিদেপি বিধায়ক, বাইতে তৃণমূল নেতার পরিচয় দিচ্ছেন।
দলত্যাগী বিজেপি বিধায়ক ও তৃণমূলের এই চক্রান্তকে কটাক্ষ করতেই শুভেন্দুব অধিকারী ওই তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিচ্ছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, তৃণমূল বিজেপির পরিষদীয় টিমকে ভাঙছে, অথচ বিধায়কদের দলে নিয়েও তাঁরা বিধায়র পদ ছাড়তে বলছে না।
একাংশের দাবি, সেই কারণেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তৃণমূলে যোগদান করলেও দলের পতাকা হাতে তুলে নেননি। শুধু উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দলবদল নিয়েও সাংবাদিকের প্রশ্ন সরাসরি এড়িয়ে যান সুমন কাঞ্জিলাল। এমনকী বিধানসভায় শাসক আসনে তিনি বসবেন, না কি বিরোধী আসনে বসবেন তা নিয়েও কোন সুস্পষ্ট জবাব তিনি দেননি। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনেও তাঁর গলায় তৃণমূলের কোনও উত্তরীয় ছিল না। এমনকী তিনি স্টেশন থেকে জেলা কার্যালয়ে পর্যন্ত কোনো দলীয় পতাকা ছাড়াই আসেন।












Click it and Unblock the Notifications