ঝালদা পুরসভা নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের! আইনি জটিলতায় থমকে পরিষেবা
ঝালদা পুরসভা তৃণমূল সরকারের কাছে প্রেস্টিজিয়াস ফাইট! না হলে বারবার কেন আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে? রইল বিস্তারিত
ঝালদা পুরসভা নিয়ে জট অব্যাহত! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশিন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল রাজ্য। গত কয়েকদিন আগেই পূর্ণিমা কান্দুকেই ঝালদা পুরসভার (Jhalda Municipality) দায়িত্ব সামলানোর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করল রাজ্য সরকার। আর তা করেই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে রাজ্যের তরফে।
শুধু তাই নয়, সুদীপ কর্মকারকে সরানোর নির্দেশকেও চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে।

প্রশ্নের মুখে ঝালদা পুরসভার ভবিষ্যৎ
ফলে ফের একবার প্রশ্নের মুখে ঝালদা পুরসভার ভবিষ্যৎ। বলে রাখা প্রয়োজন, দীর্ঘদিন ধরে ঝালদা পুরসভা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছে। বিশেষ করে এই পুরসভার দায়িত্ব কার হাতে থাকবে তা নিয়ে চলছে জটিলতা। এই পুরসভা কংগ্রেস দখল করলেও তা তৃণমূলের কাছে কার্যত প্রেস্টিজিয়াস ফাইট হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সেই কারণে তপন কান্দু এক কংগ্রেস কাউন্সিলারকে খুন পর্যন্ত হতে হয়। সেই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। কিন্তু এই আইনি জটিলতায় মাসের পর মাস থমকে ঝালদা পুরসভার সমস্ত কাজ।

বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ
সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই আস্থা ভোট হয়। যেখানে বোর্ড গঠন করে কংগ্রেস। কংগ্রেস কাউন্সিলরদের সমর্থনে পুরপ্রধান হয়েছিলেন শিলা চট্টোপাধ্যায়। আর সেই মতো পরের দিনেই পুরসভার দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। কিন্তু হঠাত করেই শিলা চট্টোপাধ্যায়ের কাউন্সিলার পদ খারিজ করেন মহকুমা শাসক। শুধু তাই নয়, পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তৃণমূল কাউন্সিলর ও প্রাক্তন উপপুরপ্রধান সুদীপ কর্মকারকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আর এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শীলা চট্টোপাধ্যায়। এমনকি রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টিও নিয়েও বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পুর্নিমা কান্দু সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল রাজ্য
এই বিষয়ে মামলা দায়ের অনুমতি দেয় আদালত। সেই মতো বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। যেখানে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। শুধু তাই নয়, ভাইস চেয়ারম্যান পদে থাকা পুর্নিমা কান্দুকে পুরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগের অন্তবর্তী নির্দেশ দেয় আদালত। এমনকি চেয়ারম্যান পদ থেকে সুদীপ কর্মকারকে সরানোর কথাও বলা হয়। আর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার। ফলে নতুন করে এই মামলা কোনদিকে মোড় নেয় সেদিকেই নজর সবার।












Click it and Unblock the Notifications