Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাবা-মাকে না জানিয়েই আরজি করে হয়ে গেল ছেলের পোস্টমর্টেম! আর কত অজানা কীর্তি লুকিয়ে আছে এই হাসপাতালে?

আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় সরগরম গোটা রাজ্য। প্রতিবাদ ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। এই ঘটনার যথাযথ বিচার না হওয়া পর্যন্ত জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে কলকাতা সহ জেলার সরকারি হাসপাতালগুলিতে। এরই মাঝে সামনে এল আরজি করের আরও এক ঘটনা।

১৩ এপ্রিল, ২০২৪। খালি হয়ে যায় এক মায়ের কোল। ছেলে সৃঞ্জয়কে হারান তাঁর মমতাময়ী। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের বোটানি অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সৃঞ্জয় দে। বাড়ি হরিণঘাটায়। চলতি বছরেরই ১৩ এপ্রিল রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। সেইসময় রাতারাতি বাবা-মাকে না জানিয়েই এই আরজি কর হাসপাতাল থেকেই ছেলের দেহ পোস্টমর্টেম করা হয় বলে অভিযোগ সৃঞ্জয়ের মা অমিতা দে-র।

rg kar mother

সৃঞ্জয়ের মা অমিতা দে-র কথায়, সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ একটা ফোন যায় তাঁর কাছে। ফোনটি ধরেন সৃঞ্জয়ের বাবা। ফোনে বলা হয় তাঁদের ছেলের একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। যতদ্রুত সম্ভব তাঁরা যেন চলে যান কলকাতায়। ট্রু কলারে নাম ওঠে অনুরাগ সিং-এর। যিনি সৃঞ্জয়ের রুমমেট ছিলেন বলে খবর।

সৃঞ্জয়ের মা অমিতা দে বলেন, 'আমরা ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বেরিয়ে পড়ি। অনুরাগকে ফোন করে খবরাখবর নিতে থাকি। যখন দমদম পৌঁছলাম, তখন ফোন কল রিসিভ করেছিলেন অনুরাগের জ্যেঠু। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন আমাদের যে, কোথায় যাবেন এখন? বললাম ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে যাবো। এই কথা বলতেই ফোনের ওপার থেকে অনুরাগের জ্যেঠু বললেন একদম না।

হাসপাতালের বদলে আমাদের সোজা লেকটাউন থানায় যেতে বললেন অনুরাগের জ্যেঠু। এরপর থানায় গিয়ে আমরা এক ডিউটি অফিসারকে জিজ্ঞাসা করলাম ছেলের কী হয়েছে? উনি বললেন ছেলে ভালো আছে। একঘন্টায় বসিয়ে রাখার পর পুলিশ বললো ছেলে সুইসাইড করেছে।

এরপর আমরা আরজি কর এলাম। এখানে এসে ছেলের দেহ কোথায়? জিজ্ঞাসা করায় আরজি করের স্টাফরা জানান সৃঞ্জয়ের দেহ মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমার ছেলের দেহ মর্গে চলে গেল, পোস্টমর্টেমও হয়ে গেল, আমাদের অনুমতি ছাড়াই'। এই ঘটনার পিছনে বড়সড় কারোর হাত ছিল বলেই অভিযোগ মৃত ছাত্র সৃঞ্জয় দে-র মায়ের। এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয় বলেও দাবি করেছেন অমিতা দে।

ফলে এর থেকে স্পষ্ট যে, শুধুমাত্র তরুণী চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুর ঘটনাই নয় আরজি কর হাসাপাতাল জুড়ে রয়েছে এমন বহু ঘটনা, যা এখনও রাতের অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। বর্তমানে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা রাজ্য একজোট হয়ে গর্জে উঠতেই দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হতে শুরু করেছে সবটা।

আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। বাবা মায়ের অনুমতি ছাড়া মৃত ছেলের দেহ রাতারাতি পোস্টমর্টেম কীভাবে হয়ে যেতে পারে? কাকে আড়াল করতে এত রাখ ঢাক? আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় কেনো তদন্তের গতি থমকে আছে? পর্দায় আড়াল লুকিয়ে কে? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে এবং তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু রহস্যের সঠিক বিচার পেতেই চিকিৎসকদের এই আন্দোলন। চিকিৎসকের সঙ্গে সঙ্গে গোটা রাজ্য শামিল হয়েছে এই আন্দোলনে। সঠিক বিচার কি তাহলে পাবেন ওই তরুণী চিকিৎসক ও তাঁর পরিবার? সময়ই বলবে সেকথা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+