Sanjay Roy: দু’বার মদ্যপানের মাঝে আরজি করে সঞ্জয়, যায় যৌনপল্লিতেও; কীভাবে অপরাধ? উল্লেখ CBI রিপোর্টে
Sanjay Roy Role: ২০২৪ সালের ৯ অগাস্টের সেই অভিশপ্ত রাত। কলকাতার বুকে আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) চেস্ট মেডিসিন বিভাগের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের (Doctor Death) নিথর দেহ। কর্তব্যরত ওই তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন (Rape and Murder case) করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) সঞ্জয় রায়কে। দীর্ঘ ৫ মাস পর তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের শাস্তি শোনাল শিয়ালদহ কোর্ট। সব মহলে ফাঁসির দাবি উঠলেও ঘটনা বিরলতম নয় বলেই মনে করছেন বিচারক। আরজি কর কাণ্ডে কীভাবে অপরাধ সংঘটিত করেছিল সঞ্জয়?

কলকাতা পুলিশের ৪র্থ ব্যাটেলিয়নের ব্যারাকে সঞ্জয় থাকত বলে দাবি। শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই রিপোর্টে দাবি, ৮ অগাস্ট রাতে অন্য এক সিভিক ভলান্টিয়ারের সঙ্গে মদ্যপান করেন সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যারাকে ফিরলেও রাতে সঞ্জয় যায় আরজি কর হাসপাতালে। রাত পৌনে এগারোটা নাগাদ অপর ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে আরজি কর হাসপাতালে ডেকেও পাঠায় সঞ্জয় রায়।
সিবিআই রিপোর্টে (CBI Investigation Report) দাবি, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ফের মদ্যপান করেন তারা। এরপর খাবার খেয়ে চেতলার যৌনপল্লিতেও যায় দুই জন। পরে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার এক মহিলাকে নিয়ে ঘরে ঢোকে।
ঘড়ির কাঁটায় যখন রাত ৩টে ২০ মিনিট, তখন দুজনে আরজি কর হাসপাতালে ফিরলেও আরেক সিভিক ভলান্টিয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যায়। এরপর এক রোগীর খোঁজ নিতে ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের দোতলায় যায় সঞ্জয়।
এই গোটা রিপোর্ট দিয়ে আদালতে সিবিআই দাবি করে, কর্তব্যরত অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। বিরলের মধ্যে বিরলতম আরজি করের ঘটনা। গোটা সমাজকে কার্যত নাড়িয়ে দিয়েছে আরজি করের ঘটনা। সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। এদিকে সঞ্জয়ের আইনজীবী সেঁজুতি চক্রবর্তী জানান, প্রথমেই মৃত্যুদণ্ড নয়, সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।
সবশেষে অবশ্য বিচারক অনির্বাণ দাস সঞ্জয়কে যাবজ্জীবন কারাবাস ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। জরিমানার টাকা না দিলে সঞ্জয়ের অতিরিক্ত পাঁচ মাস কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ কোর্ট। একইসঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্য সরকারকে। যদিও ক্ষতিপূরণ নিতে নারাজ নির্যাতিতার পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications