একবালপুরে যুবকের দেহ উদ্ধারের পিছনে রয়েছে শারীরিক সম্পর্কের তত্ত্ব
সোমবার একবালপুর মুসলিম হাইস্কুলের পাশ থেকে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করল একবালপুর থানার পুলিশ। সম্পর্কে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী
সোমবার একবালপুর মুসলিম হাইস্কুলের পাশ থেকে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করল একবালপুর থানার পুলিশ। সম্পর্কে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী। আলিপুর আদালত তাদের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
৩ নং একবালপুর মুসলিম হাইস্কুলের পাশ থেকে সোমবার সকালে যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পকেট থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ও আধার কার্ড থেকে পুলিশ জানতে পারে যুবকের নাম মহঃ হায়দায়। যুবকের বাড়ি হাওড়ার শিবপুরে। বড়বাজারে যুবকের ব্যবসা রয়েছে বলেও জানতে পারে পুলিশ।

তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬-৭ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সাজদা খাতুন নামে একবালপুরের এক মহিলার সঙ্গে আলাপ হয় হায়দারের। এই আলাপ ক্রমেই শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়।
একবালপুর মুসলিম হাইস্কুলের পাশেই রয়েছে চারতলা ফ্ল্যাট বাড়ি। সেই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ওই সাজদা খাতুন। যে সময়ে মহিলার স্বামী ঘরে থাকতেন না, সেই সময় হায়দার ওই ফ্ল্যাটে যেত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। রবিবার এমনই এক রাতে সাজদার স্বামী মহঃ সাকিল ঘর থেকে বেরোন। বেরনোর সময় সাজদা সাকিলকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি রাতে ফিরবেন কিনা। মহঃ সাকিলের সন্দেহ হওয়ায়, না বলেও ফিরে আসেন নিজের ফ্ল্যাটে। সেই সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়েছেন মহঃ হায়দার নামে ওই যুবক। নিজের স্ত্রী ও ওই যুবককে অবিন্যস্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চেঁচামেচি শুরু করেন সাকিল। সেই সময় হায়দারের সঙ্গে সাকিলের হাতাহাতিও হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। মহঃ সাকিলের দাবি এরপরই ঘর থেকে বেরিয়ে যায় হায়দার। পরের দিন অর্থাৎ সোমবার সকালে একবালপুর মুসলিম হাইস্কুলের পাশ থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার হয়।

মহঃ সাকিলের দাবি, তাঁর অনুপস্থিতিতে স্কুলের ছাদ দিয়েই তাঁদের ফ্ল্যাটের ছাদে আসতেন হায়দার। তারপর ফ্ল্যাটে আসতেন। সেই পথেই ফিরে যেতেন হায়দায়। রবিবার রাতে একই পথে ফিরতে গিয়েই অর্থাৎ ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে স্কুলে ছাদে যেতে গিয়েই নিচে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় হায়দারের।
ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হায়দারকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছে কিনা তা নিয়েও তদন্ত করছে একবালপুর থানার পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications