ডেঙ্গি নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যে এবার ফাঁদ স্ক্র্যাব টাইফাসের! কলকাতায় মৃত্যু জেরে ছড়াল আতঙ্ক
ডেঙ্গি নিয়ে উৎকণ্ঠা কলকাতায়। ডেঙ্গি নিয়ে উৎকণ্ঠা পার্শ্ববর্তী জেলায়। এরই মধ্যে স্ক্র্যাব টাইফাস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াল। মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে।
ডেঙ্গি নিয়ে উৎকণ্ঠা জারি রয়েছে কলকাতায়। ডেঙ্গি নিয়ে উৎকণ্ঠা পার্শ্ববর্তী জেলায়ও। এরই মধ্যে স্ক্র্যাব টাইফাস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াল। মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। শরীরের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি মারা যান বলে জানা গিয়েছে।

মুর্শিদাবাদের রোগীকে আনা হয়েছিল কলকাতায়
স্ক্র্যাব টাইফাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মুর্শিদাবাদের ওই বাসিন্দার নাম মহাদেব মণ্ডল। তিনি দাবাপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। প্রথমে তাঁকে বহরমপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে তাঁকে কলকাতায় পাঠানো হয়।

বেসরকারি হাসপাতালের বক্তব্য
বাইপাসের ধারে ওই বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর শরীরে স্ক্র্যাব টাইফাসের জীবাণু পাওয়া গিয়েছিল। ভেন্টিলেশনে রেখে চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গই বিকল হয়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।

জ্বরের নেপথ্যে মশা নয়
স্ক্র্যাব টাইফাস হল এক ধরনের মাকড়। এই মাকড় কামড়ালে শরীরে সুসুগামুসা নামে এক ধরনের জীবণুর অনুপ্রবেশ ঘটে। যা সব অঙ্গকে বিকল করে দেয়। এই মাকড় উড়তে পারে না। বনে-বাদাড়ে থাকা এই মাকড় আড়াই ফুট পর্য়ন্ত লাফাতে পারে। এই মাকড়ের কামড়ে চার থেকে পাঁচ মিলিমিটারের মতো কালো দাগ হয়ে যায়। কামড়ের ১৪ থেকে ১৫ দিন পর উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধ ক্ষমতা যাঁদের কম তাঁদের ওপরই প্রভাব পড়ে বেশি।

জাপানে প্রথম অস্তিত্ব ১৯৩০ সালে
যে ব্যাকটিরিয়ার কারণে স্ক্র্যাব টাইফাস, তার নাম ওরিয়েনসিয়া সুসুগামুসি। ১৯৩০ সালে জাপাতে প্রথম এর অস্তিত্ব মেলে।












Click it and Unblock the Notifications