Fake Passport: জাল পাসপোর্ট ভেরিফাই করে পেতেন মোটা টাকা! জোড়-বিজোড়ের খেলা ধৃত কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন SI-এর
Fake Passport Racket: পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডে সর্ষের মধ্যেই ভূত। অশোকনগর থেকে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) প্রাক্তন এস আই (Former SI) আব্দুল হাইকে গ্রেফতার করেছে লালবাজার। ধৃতের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গিয়েছে। পাসপোর্ট জালিয়াতির কিংপিনদের থেকে প্রাক্তন এস আইয়ের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে বলে দাবি পুলিশ সূত্রের।
পাসপোর্ট জালিয়াতির মূল চক্রী সমরেশ বিশ্বাসের সঙ্গে ধৃত প্রাক্তন এস আইয়ের লেনদেন হত বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশের অফিসেই সক্রিয় ছিল পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্র। অপর চক্রী মনোজ গুপ্তার পাশাপাশি সমরেশের টিমের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল আব্দুল হাইয়ের। জোর বিজোড় তারিখের সুযোগ নিয়ে ইচ্ছে করে জালিয়াতি করা হত বলে খবর পুলিশ সূত্রের।

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন (Passport Police Verification) পিছু মোটা অঙ্কের টাকা পৌঁছত প্রাক্তন এসআইয়ের অ্যাকাউন্টে। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের রেট মাথা পিছু ২০, ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিতেন বলে দাবি। বিগত ২ বছরে জালিয়াতির কিংপিন সমরেশের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা দফায় দফায় প্রাক্তন এসআইয়ের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে অভিযোগ। এভাবেই ৫১ জনের বেআইনি ভেরিফিকেশন করেছিলেন প্রাক্তন এসআই।
সিকিউরিটি কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনে পাসপোর্ট সেকশনে ভেরিফাইং অফিসার ছিলেন আব্দুল হাই। আড়াই বছর চাকরির পর ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর অবসর নেন তিনি। কর্মসূত্রেই পাসপোর্ট জালিয়াতির কিংপিন মনোজ গুপ্তা, সমরেশ বিশ্বাসদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল প্রাক্তন এসআইয়ের। আব্দুল হাইকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এমনকি ধৃতের ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
কিন্তু কীভাবে পাসপোর্ট জালিয়াতিতে জড়িত আব্দুল হাই? পুলিশ সূত্রে দাবি, নেপথ্যে ছিল জোড় বিজোড়ের খেলা। পুলিশ জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী জোড় তারিখে পাসপোর্ট আবেদনকারীর নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব থাকে ভেরিফাইং অফিসারের উপর। ওই দায়িত্বেই ছিলেন আব্দুল হাই। বিজোড় দিনে সেই কাজ করতেন থানার অন্য সাব ইনস্পেকটররা।
পুলিশ সূত্রে দাবি, মনোজ গুপ্তার ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে ১৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের পাসপোর্ট পাইয়ে বানিয়ে দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথ করে দেওয়া হয়েছিল। ১৫০টির মধ্যে ৫১টিরই পুলিশ ভেরিফিকেশন করেছিলেন এই ধৃত প্রাক্তন পুলিশ অফিসার আব্দুল হাই। আর সেই পাসপোর্ট প্রতিই ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে আব্দুল নিয়েছিলেন বলে দাবি। জাল নথির ভিত্তিতে তৈরি পাসপোর্টে ভেরিফিকেশন করার বিনিময়ে আব্দুলের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications