ধুতি পরার অভ্যাস করুন মোদী-শাহরা ! হঠাৎ কেন এমন ‘পরামর্শ’ বিজেপিকে

বাংলার মন জিততে বাঙালিয়ানা ছোঁয়াচ আনা জরুরি। তাই ধুতি পরুন। বিজেপি নেতাদের পরামর্শ দিলেন বুদ্ধিজীবীরা। ধুতি পরার অভ্যাস না করলে কোনওদিনই বাংলায় প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না বিজেপি।

বাংলার মন জিততে বাঙালিয়ানা ছোঁয়াচ আনা জরুরি। তাই ধুতি পরুন। বিজেপি নেতাদের পরামর্শ দিলেন বুদ্ধিজীবীরা। ধুতি পরার অভ্যাস না করলে কোনওদিনই বাংলায় প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না বিজেপি। বাংলায় শক্তিশালী বিকল্প হতে উঠতে গেলে গো-বলয়ের রাজনীতি ছেড়ে খাঁটি বাঙালি হয়ে উঠতে হবে। হয়ে উঠতে কেতাদুরস্ত ধুতি-পাঞ্জাবির বাঙালিবাবু।

হিন্দি প্রভাবমুক্ত হতে হবে

হিন্দি প্রভাবমুক্ত হতে হবে

বঙ্গ বিজেপির বৈঠকে বুদ্ধিজীবীরা পরামর্শ দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব বিস্তার করতে গেলে হিন্দি প্রভাব মুক্ত হতে হবে। নচেৎ বাঙালি-মনে দাগা কাটা দুরূহ। মোট কথা বিজেপির বঙ্গীকরণ দরকার সবার আগে। তারপর বিকল্প শক্তি হওয়ার ভাবনা আনা উচিত। খাঁটি বাঙালি হয়ে উঠতে প্রথমেই যা করতে হবে, তা হল ধুতি পরার অভ্যাস।

বঙ্গনেতারাই নন, কেন্দ্রীয় নেতাদেরও পরামর্শ

বঙ্গনেতারাই নন, কেন্দ্রীয় নেতাদেরও পরামর্শ

সম্প্রতি গেরুয়াপন্থী ঘেঁষা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন বঙ্গ বিজেপি। সেই বৈঠকে বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হয়। সেখানেই উঠে আসে ধুতি-তত্ত্ব। কেন্দ্রীয় নেতাদের বাঙালি হয়ে উঠতে হবে বলে পরামর্শ দেন বুদ্ধিজীবীরা। পোশাকে-আশাকে, আচার-ব্যবহারে, চলনে-বলনে বাঙালি হয়ে উঠতে পারলেন অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস তাঁদের।

বুদ্ধিজীবীদের কাছে প্রশ্ন বিজেপির

বুদ্ধিজীবীদের কাছে প্রশ্ন বিজেপির

বিজেপি-আরএসএসপন্থী বুদ্ধিজীবীদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন রাজ্যে তৃণমূলের শক্তিশালী বিকল্প হয়ে উঠতে পারছে না বিজেপি? কোথায় ফাঁক থেকে যাচ্ছে? কেনই বা তৃণমূলের সঙ্গে তাঁদের বিস্তর ফারাক? আগের ছেয়ে বাংলায় বিজেপি বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু তা তৃণমূলকে লড়াই দেওয়ার পক্ষে যথার্থ নয়। এক নম্বর তৃণমূলের সঙ্গে দ্বিতীয় বিজেপির বিরাট ফারাক। এমতাবস্থায় কী করণীয়?

‘ফাস্ট বয়’ হওয়ার টোটকা

‘ফাস্ট বয়’ হওয়ার টোটকা

বুদ্ধিজীবীদের সাফ জবাব, বিজেপি নেতাদের বাঙালি হয়ে উঠতে হবে। আরও বেশি করে বাঙালিয়ানা আনতে হবে চাল-চলনে। বাঙালিয়ানায় সম্পৃক্ত না হলে বাংলার মানুষের মনে দাগ কাটা খুবই মুশকিলের। আর এই কাজে ধুতি পরার পাশাপাশি নেতৃত্বদানের জন্য খাঁটি বাঙালি নেতাদের বেছে নিতে হবে, এমন পরামর্শও দিয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা।

বাংলার কৃতীদের তুলে ধরতে হবে

বাংলার কৃতীদের তুলে ধরতে হবে

বাংলায় প্রতিভাব অভাব নেই। সেই বাঙালিদের তুলে ধরা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকারকে গুরুত্ব সহকারে সেই কাজ করতে হবে। তাহলে বাঙালির মন পাওয়া অনেক সহজ হবে বিজেপির। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে জাতীয় কোনও পদে বাংলার স্থান নেই। এটা সুখকর নয়। বাংলায় ক্ষমতার বিস্তার করতে বিজেপিকে বাঙালিদের শীর্ষে তুলে ধরতে হবে।

বিজেপির দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন

বিজেপির দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় গ্রন্থাগারে দীর্ঘদিন বাঙালি অধিকর্তা নিয়োগ হয়নি। যাঁরা বাংলায় ৩৪ বছরে বাম শাসন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাত বছরের শাসনে এ রাজ্যে লড়াই করছে, তাঁরা কিছুই পায়নি। কেন্দ্রীয় নিয়োগ হলে, দিল্লি থেকে বাঙালি বাছা হয়। এই দ্বিচারিতা বন্ধ হওয়া দরকার। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারও এই দ্বিচারিতার ঊর্ধ্বে নয়।

বিজেপির বাঙালিয়ানা

বিজেপির বাঙালিয়ানা

বাংলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিজেপি এখন থেকে ভারত মাতার ভিন্ন ছবি ব্যবহার শুরু করেছে। গো-বলয়ে যে ভারতমাতার ছবি ব্যবহার হয়, তা থেকে সরে এসে এ রাজ্যে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তাঁরা ভারত মাতার ছবি ব্যবহার করছে। সম্প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মরণ অনুষ্ঠানে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ছবি ব্যবহার করা হয়। এখন প্রশ্ন বিজেপি কি পারবে হিন্দি স্লোগান ছেড়ে কেতাদূরস্ত বাঙালি হয়ে উঠতে?

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+