কলকাতায় তৃণমূল মেয়র পারিষদের বিলাসবহুল হোটেলে আয়কর দফতর, দীর্ঘ তল্লাশি তদন্তকারীদের
তৃণমূল মেয়র পারিষদ আমির উদ্দিন ববির হোটেলে এবার হানা দিল আয়কর দফতর। কলকাতার মৌলালি অঞ্চলে তৃণমূল কাউন্সিলারের বিলাসবহুল হোটেল। আর সেখানেই বুধবার পৌঁছে যান আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ ওই হোটেলে আয়কর দফতরের আধিকার
west bengal news, kolkata: তৃণমূল মেয়র পারিষদ আমির উদ্দিন ববির হোটেলে এবার হানা দিল আয়কর দফতর (income tax)। কলকাতার মৌলালি অঞ্চলে তৃণমূল কাউন্সিলারের বিলাসবহুল হোটেল। আর সেখানেই বুধবার পৌঁছে যান আয়কর দফতরের আধিকারিকরা (IT Raid)। বেশ কিছুক্ষণ ওই হোটেলে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা ছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে।

হোটেলের সমস্ত তথ্য তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেন বলে খবর। এমনকি কাগজ-পত্রও খতিয়ে দেখেন আয়কর আধিকারিকরা। এমনটাই খবর।
তবে কি কারনে হঠাত করে তৃণমূল কাউন্সিলারের হোটেলে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তা স্পষ্ট নয়। এমনকি এই বিষয়ে তৃণমূল মেয়র পারিষদ আমির উদ্দিন ববির প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি আয়কর দফতরের তরফেও এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে আউ বহির্ভুত বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। আর সেই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই রিপন স্ট্রিটের ওই হোটেলে আয়করের দফতরের তরফে তল্লাশি চলে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় ঘন্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। যদিও দীর্ঘ এই তল্লাশি চলাকালীন কাউন্সিলারের হোটেল সম্পূর্ণ ভাবে ঘিরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। ওই সময়ে কাউকে হোটেলে ঢুকতে বেরম হতে দেওয়া হয়নি বলেও জানা যাচ্ছে। তৃণমূল কাউন্সিলারের হোটেলে হঠাত তল্লাশি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিকমহলেও শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
বলে রাখা প্রয়োজন, আজ বুধবার সকাল থেকে মুর্শিদাবাদ সহ জেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। এমনকি দুপুরের পর রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানের বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়িতে হানা দেন আয়কর দফতরের তদন্তকারীরা। সুতিতে জাকির হোসেনের বাড়ি সহ রঘুনাথগঞ্জে তাঁর অফিসে একযোগে তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে। অন্তত ১০ থেকে ১১ জনের একটি আয়কর দফতরের একটি টিম এই তল্লাশি চালায় বলে খবর।
যা নিয়ে জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। আর এই ঘটনার মধ্যেই কলকাতায় তৃণমূল কাউন্সিলারের হোটেলে হানা দিল আয়কর দফতর। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কথাতে ওঠা পড়া করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ শাসকদলের।
তৃণমূলের দাবি, জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে দল। কোথায় কোনও মেনে নেওয়া হবে না। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে কাউকে হেনস্থা করা হবে তা ঠিক নয় বলেই মন্তব্য শাসকের।












Click it and Unblock the Notifications