২ দিনের মধ্যে বেআইনি হোর্ডিং সরাতে হবে বিধাননগরে, বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
বিধাননগর এলাকায় ছেয়ে রয়েছে বেআইনি হোর্ডিং৷ সেই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা। সেই মামলার শুনানিতে রীতিমতো ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
বিধাননগর এলাকায় বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে কড়া হাইকোর্ট। বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে পুরসভা কেন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি? স্পষ্ট নয় আদালতের কাছে। এত বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে দেখেও কিছু করেনি পুরসভা। মনে হয় ইচ্ছে করেই ব্যবস্থা নেয়নি। মন্তব্য প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের।

প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে বৃহস্পতিবার। আগামী দুই দিনের মধ্যে সব বেআইনি হোর্ডিং খোলার ব্যবস্থা করতে হবে। এই কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
বেআইনি হোর্ডিং শনাক্তকরণ করতে হবে৷ বিধাননগরকে বেআইনি হোর্ডিং মুক্ত করতে হবে। এই আর্জি চেয়ে মামলা হয়। মামলাকারী দিবায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এই মামলায় রাজ্য রিপোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, ওই এলাকায় ৩৫১ টি বেআইনি হোর্ডিং আছে।
প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ৩৫১ টি বেআইনি হোর্ডিং রয়েছে। তা জেনেও কেন খুলে ফেলছেন না? নোটিশ দিন। ওদের নিজেদেরই খুলতে বলুন। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এজেন্সিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। সেই শুনে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য, এরপরে না খোলা হলে গ্রেফতার করুন।
মামলাকারীর তরফে জানানো হয়, নিয়ম না মানলে গ্রেফতার করা যেতে পারে। ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ছয় মাসের জেল হতে পারে। প্রায় দুই হাজার হোর্ডিং আছে ওই এলাকায়।মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য, হোর্ডিং থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন হয় পুরসভার। তাই বেআইনি হোর্ডিং খোলার দিকে অতটা নজর দেওয়া হয় না। তিনি মুম্বইতে হোর্ডিংয়ের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। বিশাল হোর্ডিং উপড়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়।
রাজ্যের তরফে আদালতে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। কিন্ত সেই কথায় কান দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, আপনারা নিজে স্বীকার করছেন। তাও কাজ না করলে মনে হয়, ইচ্ছে করেই করছেন। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত৷ তার মধ্যে হয় ওই সব এজেন্সি বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিক। না হলে পুরসভা হোর্ডিং মুক্ত করুক। নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের।












Click it and Unblock the Notifications