বাঁশি, গণসঙ্গীত দ্রোহের কার্নিভালে, মানুষের প্রতিবাদ ধর্মতলার রাজপথে
দলে দলে মানুষ ধর্মতলায় হাজির। দ্রোহের কার্নিভাল অনুষ্ঠান শুরুর আগেই যেন যুদ্ধ জয়ের ছবি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্মতলায় প্রতিবাদে সামিল সাধারণ মানুষ। ২৮ টি চিকিৎসক সংগঠনের ডাকে দ্রোহ কার্নিভাল ধর্মতলায়।
কলকাতা হাইকোর্ট দ্রোহ কার্নিভাল করার অনুমতি দিয়েছে। ১৬৩ ধারা বাতিল করতে নির্দেশ জারি করে আদালত। পুলিশ তারপর শেকল খুলে দেয়। নয় ফুটের বিশাল লোহার ব্যারিকেড সরিয়ে নেয় পুলিশ। তারপরেই শুরু হয় আনন্দ, উচ্ছ্বাস।

সিনিয়র চিকিৎসকদের ২৮ টি সংগঠন এই দ্রোহের কার্নিভালের ডাক দিয়েছিলেন। সব শ্রেণির সাধারণ মানুষদের আহ্বান করা হয়েছিল। সময় গড়াতেই দেখা যায় দলে দলে মানুষ এসে ভিড় করেছেন রানি রাসমণি রোডে।
আদালতের রায় বেরোনোর পরেই উৎসব শুরু হয়ে যায় প্রতিবাদীদের। ধর্মতলা চত্বরে ঢাক বাজতে থাকে। অন্য দিকে পুলিশ প্রশাসন লোহার ব্যারিকেড খুলতে তখন ব্যস্ত। ঢাকের তালে তখন প্রৌঢ় ব্যক্তি থেকে তরুণ, তরুণীরা নাচছেন। ধর্মতলা চত্বর যেন হয়ে গিয়েছে এক অন্য সাংস্কৃতিক মঞ্চ।
বাঁশির মধ্যে দিয়ে গণসঙ্গীতের সুর জোরালো হয়েছে। আবৃত্তি চলছে কোনও জায়গায়। অভয়ার শাস্তির দাবিতে কোথাও চলেছে স্লোগান। আরজি করের নির্যাতিতার বিচারের দাবি তোলা হয়েছে জায়গায় জায়গায়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেও স্লোগান উঠেছে রাজপথে।
দ্রোহের কার্নিভালে নাটক, গান, নাচ, ছবির মধ্যে প্রতিবাদ ফুটে ওঠে৷ সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদের এই দৃশ্য শেষ কবে দেখা গিয়েছে? সেই প্রশ্নও উঠেছে৷ জানা গিয়েছে, ৬০ টির বেশি নাগরিক সংগঠন এদিনের দ্রোহের কার্নিভালে যোগ দিয়েছে। একাধিক বিশিষ্ট জন, শিল্পী, সাহিত্যিকও এই কার্নিভালে হাজির হন।
রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে। পুজোর কার্নিভাল রেড রোডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দ্রোহের কার্নিভাল আয়োজিত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications