RG Kar Hospital: ময়নাতদন্ত করতে তাড়াহুড়ো? রাজি ছিলেন না এক চিকিৎসক! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক চিঠি
RG Kar Hospital Doctor Death: বিকেল চারটের পর ময়নাতদন্ত কীভাবে? সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্ন তোলেন সিবিআই'য়ের আইনজীবী। আর এর মধ্যে আরজি কর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য। নির্দিষ্ট সময়ের পরে ময়নাতদন্ত করতে রাজি ছিলেন না এক ডাক্তার। এই মর্মে টালা থানার ওসির কাছে বিশেষ অনুমতি চেয়ে চিঠিও দেন ওই চিকিৎসক। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ময়নাতদন্ত করতে এত তাড়াহুড়ো করা হল? কোনও কিছু আড়াল করতেই যাবতীয় ঘুঁটি সাজানো হয়।
আরজি কর কাণ্ডের এক মাস কেটে গিয়েছে। এখনও বিচার মেলেনি। তবে ঘটনার (RG Kar Hospital Doctor Death) পর থেকে একের পর এক প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে কলকাতা পুলিশ এবং আরজি কর হাসপাতালের একের পর এক সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন রয়েছে।

বিশেষ করে ঘটনার পরেই অভয়ার বাবা-মাকে প্রথমে কেন বলা হল আত্মহত্যা, এরপর পরেই শৌচগার সংস্কারের কাজ নিয়ে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ তোলেন জুনিয়ার ডাক্তাররা। এমনকি ঘটনায় (RG Kar Hospital Doctor Death) টালা থানার এফআইআর নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
আর এর মধ্যেই সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ময়নাতদন্ত নিয়ে চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন তোলে সিবিআই। পোস্ট মোর্টেম করার ক্ষেত্রে বিশেষ একটি চালানের উল্লেখ করা হয়। আর সেটা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি রাজ্যের তরফেও সেই চালান আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই সিবিআই আইনজঈবী বলেন, বিকেল চারটের পর ময়নাতদন্ত করা যায় না।
এক্ষেত্রে কীভাবে সময় এবং নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পোর্স্ট মোর্টেম, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে সিবিআই। আর এরপরেই চাঞ্চল্য একটি প্রকাশ্যে। ঘটনার পরেই 'অভয়া'র দেহ ময়নাতদন্ত করতে তিন সদস্যের একটি টিম তৈরি কর স্বাস্থ্য ভবন। তিনজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন সদস্যা সময়ের পর ময়নাতদন্ত করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই মর্মে স্বাস্থ্য দফতরকে একটি চিঠিও দেন তিনি। যেখানে স্বাস্থ্য দফতরের একটি নোটের উল্লেখ করেন। যেখানে সময়ের পর ময়নাতদন্ত করা নিয়ে একটি নির্দেশিকা ছিল।
আর এই অবস্থায় অর্থাৎ সময়ের পর ময়নাতদন্ত করতে পুলিশের অনুমতি লাগবে বলেও জানান টিমের ওই সদস্যা। এই মর্মে টালা থানার ওসিকে চিঠিও দেন। যেখানে পুরো বিষয়টি জানিয়ে অনুমতি চাওয়া হয়। জানা যায়, এহেন চিঠির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর দেওয়া হয় এবং অনুমতিও দেওয়া হয়। আর এই সমস্ত চিঠি কপি প্রকাশ্যে এসেছে। আর তা আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, জুনিয়ার ডাক্তারের দেহ ময়নাতদন্ত করতে কেন এত তাড়াহুড়োর প্রয়োজন হল। কাউকে কিংবা কিছু আড়াল করতেই এই ব্যস্ততা। প্রশ্ন আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তার।












Click it and Unblock the Notifications