Kunal Ghosh: চাকরিপ্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে শাসকের প্রতিনিধিকে ঘিরে বিক্ষোভ, ব্রাত্যকে ফোন করলেন কুণাল
১ হাজার দিন অতিক্রান্ত হয়েছে এসএলএসটি-র চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন। শনিবার সকাল থেকেই রাজনৈতিক নেতাদের আগমন হতে থাকে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন মঞ্চে। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু থেকে কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি অনেকেই উপস্থিত হন এই আন্দোলন কর্মসূচিতে। কিন্ত বেলা গড়াতেই চাকরি প্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে হাজির হন শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর উপস্থিতিতে সেখানকার পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠে।
শনিবার বিকেল ৩.৩০ মিনিট নাগাধ ধর্মতলায় চাকরি প্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে যান তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি সেখানে যাওয়া মাত্রই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। শাসক দলের এই নেতাকে দেখা মাত্রই চোর ধরো জেলে ভরো স্লোগান তুলতে থাকেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি।

এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে। ১০০০তম দিনে তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বাম, বিজেপি, কংগ্রেস নেতারা তাদের সঙ্গে দেখা করেন। বিকেলে ওই মঞ্চে উপস্থিত হন কুণাল। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় হুলস্থুল পরিস্থিতি। তাঁকে ঘিরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। বেশ কিছু ক্ষণ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ চলে। যদিও পরে কুণাল ঘোষ বেশ কিছু ক্ষণ কথা বলেন চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে।
চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে কুণাল ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, কোনও একটি জটিলতার জন্য এই প্রার্থীদের চাকরি আটকে আছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। মুখ্যমন্ত্রী থেকে শিক্ষামন্ত্রী, সবাই চান দ্রুত সমস্যার সমাধান হোক। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও নিজে কথা বলেছেন চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে। নিয়োগ নিয়ে জট খুলুক।
একইসঙ্গে রাজ্যের শাসক দলের মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন, ' আজ যখন রাসমণি চুল বিসর্জন দিচ্ছেন, তখন মনে হয়েছে অফিসে কথা না বলে ওঁদের সঙ্গে এসে দেখা করে যাই, তাই এখানে সরাসরি ওদের সঙ্গে কথা বলতে আসি। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ভু্ল হলে তার নিশ্চই প্রায়শ্চিত্ত হবে।'
যদিও দিনভর উত্তপ্ত হয়েই থাকল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন, রাজনীতির নেতাদের আশার বাণী থাকবেই। নতুন বছরে সুখবরের আশায় চাকরি প্রার্থীরা।












Click it and Unblock the Notifications