দেশজোড়া বিতর্কের মাঝেই স্থগিত হয়ে গেল গো-বিজ্ঞান পরীক্ষা, ঠিক কী কারণে সিদ্ধান্ত বদল ইউজিসি-র?
দেশজোড়া বিতর্কের মাঝেই স্থগিত হয়ে গেল গো-বিজ্ঞান পরীক্ষা, ঠিক কী কারণে সিদ্ধান্ত বদল ইউজিসি-র?
পরীক্ষার কথা ঘোষণা করা মাত্রই গোটা দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র জল্পনা। এমনকী কেন্দ্রের সরাসরি সমালোচনাতেও সরব হয় শিক্ষাবিদদের একটা বড় অংশ। এবার এই বিতর্কের মুখে পড়েই গো-বিজ্ঞান পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ দিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি। তবে ঠিক কী কারণে পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে সেই বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলা হয়নি। এমনকী পুনরায় পরীক্ষা কবে হবে সেই বিষয়েও কিছু বলা হয়নি।

শুরুতেই না যাদবপুরের
এদিকে গতকালই এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে না সাফ জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্যের প্রথমসারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকী ইতিমধ্যেই ৫ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসার আবেদন জানালেও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এতে না করার দিকে এগোচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছিল। এমতাস্থায় সম্মানহানির কথা ভেবেই পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল বলে মনে করচে ওয়াকিবহাল মহল।

পরীক্ষায় বসতে চলেছিলেন ৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী
এদিকে ইউজিসি এর আগে দেশের ৯০০ বিশ্ববিদ্যালয়কে এই পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের তত্ত্বাবধানেই আগামী বৃহঃষ্পতিবার এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। শুধু তাই নয়, ৫৪ পাতার পাঠ্যক্রমও প্রকাশ করা হয়। তাতে বিদেশি গরুদের থেকে ভারতীয় গরু কত উন্নত সেই প্রশস্তি রয়েছে।এমনকী গোবর, গোমূত্রের উপকারিকাতা, এমনকী গরুর দুধে সোনার কথাও রয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবারই একটি বিবৃতি জারি করে আচমকাই তা বাতিল করল ইউজিসি।

রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের সভাপতি সরে যেতেই কী সিদ্ধান্ত বদল ?
এদিকে এদিন রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের মাথায় ছিলেন বল্লভভাই কাঠিরিয়া। তিনিই শুরু থেকে ভারতীয় অর্থনীতিতে গরুর ভূমিকা, এমনকী গো-বিজ্ঞান নিয়ে পরীক্ষার উপর জোর দিয়ে আসছিলেন। এমনকী গত ৫ জানুয়ারি এই বিষয়ে কিছু বিতর্কিত মন্তব্যও করেছিলেন কাঠিরিয়া। যা নিয়েও গোটা দেশে চরমে জল্পনা। সূত্রের খবর, গত ২০ ফেব্রুয়ারি আয়োগের সভাপতি পদে দু-বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পরেই বাতিল হয়ে গেল এই বিতর্কিত পরীক্ষা।

উপাচার্যদের চিঠি
এদিকে এর আগে পরীক্ষার্থীদের গো-বিজ্ঞান নিয়ে পরীক্ষার জন্য পড়ুয়াদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য প্রায় সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নির্দেশ দেয় ইউজিসি। নাম নথিভুক্তের জন্য উপাচার্যদের চিঠিও দেয় ইউজিসি। কিন্তু তারপর নতুন করে আবারও দানা বাঁধে বিতর্ক। এমনকী চাপের মুখে পড়ে গো-বিজ্ঞান পরীক্ষার সিলেবাসও ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেয় রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগ।












Click it and Unblock the Notifications