দুই কাউন্সিলারের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বউ বাজার, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী
রণক্ষেত্র বউবাজার! প্রকাশ্যে রাস্তায় তৃণমূল কাউন্সিলারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার অভিযোগের তির নির্দল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। অভিযোগ পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটলেও
রণক্ষেত্র বউবাজার! প্রকাশ্যে রাস্তায় তৃণমূল কাউন্সিলারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার অভিযোগের তির নির্দল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। অভিযোগ পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। তবে ঘটনার পরেও উত্তপ্ত এলাকা। নতুন করে যাতে উত্তেজনা না চড়ায় সেদিকে তাকিয়ে বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, জাকারিয়া স্ট্রিটে স্কুটার নিয়ে যাচ্ছিলেন জসিমুদ্দিনের ভাই। আর তা নিয়ে যাওয়ার সময়ে নীরজ নামে এক ব্যাক্তি জসিমুদ্দিনের ভাইকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। আর তা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। এমনকি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বেঁধে যায় বলেও অভিযোগ।
এই অবস্থায় কোনও মতে প্রাণে বাঁচিয়ে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন কাউন্সিলারের ভাই। আর সেখান থেকে দাদা জসিমুদ্দিনকে ফোন করে সাহায্য চান। ভাইয়ের এই অবস্থার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। বেশ কিছু অনুগামীদের নিয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছন। যদিও ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময়ে বউবাজার থানাকে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানিয়ে যান জসিমুদ্দিন সাহেব।
কিন্তু সেখানে তিনি পৌঁছতেই আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জসিমুদ্দিনকে ঘিরে ধরে কয়েকশ লোক। অভিযোগ, সবাই ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আয়েষা কানিজের অনুগামী। জসিমুদ্দিনকে ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পালটা তাঁর অনুগামীরাও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তে আবারও রণক্ষেত্রের আকার নেয় বউ বাজার এলাকা। দুপক্ষের কয়েকশ অনুগামী হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একে অপরকে লক্ষ্য করে বাঁশ-ইট নিয়ে হামলা করে বলে অভিযোগ।
যদিও ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ঘটনার পর থেকেই এখনও উত্তপ্ত এলাকা। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কি কারণে এই ঘটনা তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্দল কাউন্সিলর আয়েষার স্বামীর ইরফান আলি তাজের অভিযোগ, এলাকায় হামলা চালিয়েছে জসিমুদ্দিনের অনুগামীরাই।
যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলার। তবে এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনায় আরও জড়িতদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক।












Click it and Unblock the Notifications