হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তি যাদবপুরের বিদেশি পড়ুয়ার
হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তি যাদবপুরের বিদেশি পড়ুয়ার
হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তি যাদবপুরের বিদেশি পড়ুয়ার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আওতাধীন ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এর দেশ ছাড়ার বিজ্ঞপ্তি বুধবার খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতির নির্দেশ, কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকবে সে। তবে ভিসা আইন মেনে চলতে হবে তাঁকে।

Visa Rule 14 C অনুযায়ী বিদেশীরা সরকার বিরোধী কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না। এবং আইন পাশ হওয়ার পর তার বিরোধিতাও কোন বিদেশী করতে পারেনা। এই অভিযোগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এক পোলিশ পড়ুয়া কামিল সেদচিন্সকিকে ভারত ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।
তিনি যে ভালো ছাত্র, সন্দেহ নেই কিন্তু তার মানে ভারতের সার্বভৌমত্বের উপর প্রশ্ন তুলবে এমন কাজ সমর্থন যোগ্য নয় অভিযোগ ছিল কেন্দ্রের। তিনি দেশের নাগরিক নয় তাই বাক স্বাধীনতার অধিকারী নয়, তাই সরকার বিরোধী মিটিংয়ে অংশ নিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন ওই ছাত্র। হাইকোর্টে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন্দ্রের আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি।
তবে এর বিরোধিতা করেন মামলাকারীর আইনজীবী জয়ন্ত মিত্র। তার বক্তব্য, পৃথিবীর বৃহত্তম সংবিধান ভারতের। সেখানে কোন বৈষম্য নেই। মৌলিক অধিকারের ১৪,২০,২১,২২ সব ধারা প্রযোজ্য যিনি নাগরিক নন তাদের জন্যও।
আরও জানান, পোলান্ড ছাত্র মিটিংএ থাকলেও কোন বিপ্লবী মানষিকতা দেখাননি। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সম্রাজ্যে Foreigners Act তৈরি হয়েছিল। সেটা কি আদৌ এই যুগে প্রযোজ্য?
জয়ন্তবাবু বলেন, সময়ের সঙ্গে আইনের বদল হয়। সমাজকে দেখেই আইন তৈরি হয়। তাই এই আইনের বদল সময় অনুসারে দরকার। ফলে নোটিশ ছাড়া যখন তাকে দেশ ছাড়তে বলা হচ্ছে,আসলে তখন বৈষম্য প্রকাশ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications