নতুন স্বাধীনতার পথে পা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ, জানেন কি কলকাতায় বসেই মুক্তি যুদ্ধের পরিকল্পনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু
বারবার মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশেরক এই পরিস্থিতি। যে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল সেই বঙ্গবন্ধুর মূর্তি বাংলাদেশ থেকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। ইরাকে যেভাবে সদ্দাম হুসেনে মূর্তি ভাঙা হয়েছিল সেভাবেই ঢাকায় একাধিক জায়গায় হাতুড়ি মেরে বুল্ডোজার এনে ভেঙে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি।
সেদৃশ্য দেখেছে গোটা বিশ্ব। নিজেদের স্বাধীনতাকেই এভাবে অস্বীকার করেছে সেদেশের বাসিন্দারা। সেই দৃশ্য মর্মাহত এপাড় বাংলার বাসিন্দারা। কারণ বঙ্গবন্ধু যে কেবল বাংলাদেশের জাতির জনক ছিলেন তাই নয় এপাড় বাংলার সঙ্গেও তাঁর আত্মিক যোগ ছিল।

বাংলাদেশের মুক্তিুদ্ধের নেতা ছিলেন তিনি। এই কলকাতায় বসেই সেই মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা করেছিলেন মুজিবর রহমান। সেই স্মৃতি আজও বয়ে নিয়ে চলেছে কলকাতা শহরের এই জায়গাটি। মধ্য কলকাতার ১১৪ বছরের পুরনো বাকর হোস্টেল। এটাই ছিল মুজিবের কলকাতার ঠিকানা। এই হোস্টেলের ঘরে বসেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম ছাত্ররা হোস্টেলটি তৈরি করেছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়। ১৯১০ সালে এটি তৈরি হয়েছিল। তারপরে ১৯৪২ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এই হোস্টেলই পরিণত হয়েছিল মুজিবর রহমানের ডেরায়। ১৯৪০ সালে যখন তিনি মৌলানা আজাদ কলেজে পড়াশোনা করতেন তখন থেকেই এই হোস্টেলে থাকতেন তিনি।
এই হোস্টেলের ২৪ নম্বর রুমে থাকতেন মুজিবর রহমান। সেই ঘরে বসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন তিনি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপার বাংলা স্বাধীন হওয়ার পর এই হোস্টেলের ২৩ এবং ২৪ নম্বর ঘরদুটি মিউজিয়ামে পরিণত করা হয়েছিল।
মুজিবের এই কলেজে বাংলাদেশ থেকে বহু পড়ুয়াই পড়তে আসতেন। এই হোস্টেলে থেকেও গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে গত ২ বছর ধরে এই কলেজে কোনও বাংলাদেশি পড়ুয়াকে ভর্তি হতে দেখা যায়নি। আর এখন বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি। তাতে সেই বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের পথিকৃত মুজিবর রহমানই হয়ে গিয়েছে তাঁদের পরম শত্রু।












Click it and Unblock the Notifications