'বিরল' করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক যুবক! প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা WHO-র
মধ্য প্রাচ্যে এক ব্যক্তির মার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পরে প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম- করোনা ভাইরাস (MARS coronavirus ) আক্রান্ত হওয়ার পরে ২৮ বছর বয়স্ক এক যুবককে আবুধাবির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলের পরিস্থিতি তারা পর্যবেক্ষণে রাখছে।
মার্স করোনা ভাইরাস পরিবারের অন্য সদস্য হিসেবে কোভিডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হলেও, এটি সেই স্ট্রেন নয়, যা থেকে ২০১৯-২০ সালে বিশ্বব্যাপী মহামারী তৈরি হয়েছিল। এটি কয়েকবছর আগেই আবিষ্কার করা হয়েছিল।

২০১২ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথমে এটিকে সনাক্ত করেন। সাধারণভাবে মনে করা হয়, কোন প্রাণী থেকে এই সৃষ্টি। সাধারণভাবে উটের সংস্পর্শে আসার পরেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এর মৃত্যুর হার অনেক বেশি হলেও কোভিডের তুলনায় অনেক কম সংক্রমণযোগ্য। তবে গুরুতর রোগের কারণ হিসেবে একে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম- করোনা ভাইরাস-এর (MARS coronavirus ) লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা লাগা, শরীরে ব্যথা, গলা ব্যথা, ডায়ারিয়া, বমি বমি ভাব কিংবা বমি হওয়া, নাক দিয়ে জল পড়া।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, মার্স-এর কেসটি আল আইন শহরে এক প্রবাসী আক্রান্ত হওয়ার পরে সামনে আসে। ৩ থেকে ৭ জুনের মধ্যে তিনি একাধিকবার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়েছিলেন। প্রস্রাব করার সময় বমি ও ব্যথার অভিযোগ করেছিলেন। ৪ জুন তিনি ডায়ারিয়া, বমি ও পেট ব্যথার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
২৮ বছর বয়সী ওই যুবককে ১৩ জুন নাগাদ আইসিইউতে রেফার করা হয়। এরপর ২৩ জুন তার পিসিআর পরীক্ষায় 'মার্স কভ' ধরা পড়ে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে ওই ব্যক্তির সঙঅগে উঠের যোগাযোগের কোনও ইতিহাস নেই। এছাড়াও ওই ব্যক্তি কোনও কাঁচা সবজিও খাননি।
ওই যুবকের পরিচিতদের কারও অসুস্থতা ছিল না। আবার তাঁর 'মার্স-কভ' মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও ইতিহাস পাওয়া যায়নি। কিংবা তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশারীর বাইরেও যাননি। অন্যদিকে ওই ব্যক্তির এক্সপোজারের শেষ তারিখ থেকে ১৪ দিনের জন্য মোট ১০৮ জনকে শনাক্ত করা এবং পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তবে কোনও সেকেন্ডারি সংক্রমণ পাওয়া যায়নি
এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ২০১৩ সালে পরীক্ষাগারে (MARS coronavirus ) প্রথম কেসটি ধরা পড়ে। তারপর থেকে গত এক দশকে সেদেশে ৯৪ টি কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১২।












Click it and Unblock the Notifications