Turkey Pakistan: পহেলগাঁও আবহে পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য? সামরিক বিমান পাঠানোর রিপোর্ট খারিজ তুরস্কের
Turkey Pakistan: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পৌঁছেছে আরও তলানিতে। যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় দাবি, পাকিস্তানকে সামরিক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে তুরস্ক। একাধিক রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তানের করাচিতে অবতরণ করেছে সামরিক অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই তুরস্কের সি-১৩০ই হারকিউলিস বিমান। তারপরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও সেই দাবি উড়িয়েছে তুরস্ক।
অস্ত্র নিয়ে তুরস্কের অন্তত ৬টি সামরিক বিমান পাকিস্তানের মাটিতে অবতরণ করেছে বলে রিপোর্টে দাবি। রবিবারই প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম নিয়ে করাচি বিমানবন্দরে তুরস্কের বায়ুসেনার সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান অবতরণ করে বলে দাবি। স্রেফ তাই নয়, ইসলামাবাদে পাকিস্তানের বায়ুসেনার ঘাঁটিতে তুরস্কের আরও ৬টি যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে বলে খবর।

যদিও ওই রিপোর্ট ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তুরস্ক। সেদেশের ডিরেক্টরেট অফ কমিউনিকেশনসের তরফে দাবি, পাকিস্তানে তুরস্কের বিমান অবতরণ করেছে একথা সত্য। কিন্তু তা সামরিক অস্ত্র সরবরাহের জন্যে নয়। শুধুমাত্র জ্বালানি ভরার কারণে তা নেমেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তুরস্কের কর্তৃপক্ষ জানায়, "কিছু মিডিয়ায় দাবি করা হয়েছে পাকিস্তানে অস্ত্রশস্ত্র সমেত ৬টি বিমান পাঠিয়েছে তুরস্ক। এই খবর সত্যি নয়।"
পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনেরই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। পাকিস্তানের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার তুরস্ক। নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সাক্ষাৎ-ও সারেন ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার আধিকারিকরা। ফলে দুই দেশের যে মজবুত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। এমনকি হাই-লেভেল স্ট্র্যাটেজিক কোঅপারেশন কাউন্সিল (HLSCC) নামে একটি মঞ্চও গড়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। পারস্পারিক নানা স্বার্থে সহাবস্থানের উদ্দেশ্যেই ২০০৯ সালে গড়ে তোলা হয়েছে HLSCC। দুটি দেশেই ব্যবসা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেয় HLSCC।
একা পাকিস্তান নয়, চিনেরও মিত্র দেশ তুরস্ক। ভারত পাকিস্তান টানাপোড়েন মধ্যেই রবিবারই জানা যায়, ইসলামাবাদকে অত্যাধুনিক পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে চিন। পাকিস্তানের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বেজিং। গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটকের প্রাণ গিয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে পাক মদতপুষ্ট লস্কর ই তৈবার ছায়া সংগঠন টিআরএফ।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কড়া কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জল চুক্তি বন্ধ করা থেকে শুরু করে আটারি সীমান্ত বন্ধ করা, পাকিস্তানিদের ভারত ছাড়ার নির্দেশ ও পাকিস্তানি হাই কমিশনে কর্মী সংখ্যা কমানোর মতো একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। পাল্টা পাকিস্তান হামলার দায় অস্বীকার করে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ভারতের জন্য।












Click it and Unblock the Notifications