Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সামরিক শাসন জারি হতেই উত্তাল দক্ষিণ কোরিয়া, রাষ্ট্রপতির ঘোষণাকে অবৈধ বলে ঘোষণা সংসদের

South Korea: দক্ষিণ কোরিয়া উত্তাল। রাষ্ট্রপতি ইউন সক ইয়ল আপদকালীন সামরিক শাসন জারি করেছেন। যদিও সংসদ তার বিরুদ্ধ মতই পোষণ করেছে।

এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়া কোন পথে এগোবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাড়ছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদের ঢেউ।

South Korea

দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির ঘোষণার পরই সামরিক শাসন লাগু হয়ে যায়। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী ও উত্তর কোরিয়ার সমর্থক শক্তিকে ধ্বংসের হুঁশিয়ারিও দেন। সিওলে সংসদের ভিতর ঢোকার চেষ্টা চালালে বিক্ষোভকারীদের বাধা দেন পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা।

এই অস্থির পরিবেশের মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে সামরিক শাসন প্রত্যাহারের সপক্ষে প্রস্তাব পাস হয়েছে। জাতীয় সংসদের অধ্যক্ষ উ ওন-সিক ওই রেজলিউশনটি আনেন। ৩০০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের ১৯০ জনই তাতে সমর্থন জানিয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে এই মুহূর্তে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টিই সংখ্যাগরিষ্ঠ। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদের ভোটাভুটির উপরই নির্ভর করে সামরিক শাসনের বিষয়টি। যদি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ সামরিক শাসনের বিপক্ষে ভোট দেয়, তাহলে তা লাগু থাকতে পারে না। যদিও এখন কি হবে তা বলা যাচ্ছে না।

উত্তর কোরিয়া থেকে কোনও উদ্বেগজনক বার্তা পেয়েই দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি এই সামরিক শাসন জারি করেছেন কিনা সেটাও স্পষ্ট করেননি। ১৯৮০ সালের পর এই প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্শাল ল জারি করা হয়েছে। যদিও তারপরই সংসদে প্রধান বিরোধী দল সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের সংসদে হাজির করিয়ে বিরোধিতা করতে থাকে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকেই সংসদে সরকারের নানা অ্যাজেন্ডা নিয়ে নাস্তানাবুদ হচ্ছেন। বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল শাসক পিপলস পাওয়ার পার্টির চেয়ে সংখ্যাধিক্যে এগিয়ে থাকার কারণে। সামনের বছরের বাজেট বিল নিয়েই দুই দলের দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে।

ইউনের স্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। কিন্তু বিরোধী দল বারবার দাবি জানালেও ইউন নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিকে পাত্তাই দেয়নি। ফলে সে কারণেও তাঁর উপর ক্ষোভ বাড়ছিল।

জানা যাচ্ছে, ইউনের নিজের দলের অনেকেও সামরিক শাসন লাগু করাকে সমর্থন করেননি। সংসদে ভোটাভুটির পর স্পিকারও জানিয়ে দিয়েছেন সামরিক শাসন জারির ঘোষণা অবৈধ। টিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হেলমেট পরে সেনাবাহিনীর জওয়ানরা সংসদে ঢুকতে গেলে সংসদের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের বাধা দেন। তাঁদের হঠানোর জন্য অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থারও সাহায্য নেওয়া হয়।

গতকাল রাতে ইউনের ঘোষণার পর থেকেই সংসদের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভকারীরা মার্শাল ল-র বিরোধিতা করছিলেন। ইউনকে গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+