Bangladesh: ইদের প্রার্থনা শেষ হতেই 'জয় বাংলা' স্লোগান! রণক্ষেত্র বাংলাদেশ, চলল গুলি, আহত বহু
Bangladesh: ইদের দিনেও রক্ষা হল না! উত্তাল বাংলাদেশ। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হাসিনা এবং খালেদা পন্থী কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘাত। ঘটনাকে কেন্দ্রত করে চলল গুলি। ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সে দেশের নাটো বলে একটি এলাকায়। ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে ধরপাকড়।
আরও এই ঘটনায় কেউ জড়িত কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধৃতদের শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদও। এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। বাংলাদেশ (Bangladesh) পুলিশের দাবি, সংঘর্ষের ঘটনাটি যে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া নিয়েই তা এখনও স্পষ্ট নয়।

রাজনৈতিক কোনও দ্বন্দ্ব আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইউনূসের নতুন বাংলাদেশ সাড়ম্বরকে পালন করা হয় ইদ। অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সহ সকল উপদেষ্টারা পথে নামেন। মানুষকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখার বার্তা দেন।
জানা যায়, হঠাত করেই লালপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ঈদগাহে বিশেষ প্রার্থনা শেষ হতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইদের নামাজ শেষে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সময় বিএনপি ও স্থানীয় বেশ কিছু মানুষ এর প্রতিবাদ জানায় বলে দাবি। পাল্টা প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। যা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়।
একদিকে হাসিনার নামে স্লোগান অন্যদিকে খালেদা জিয়ার নামে স্লোগান দিতে থাকেন স্থানীয় মানুষজন। অভিযোগ সেই সময় হঠাত করেই গুলি চলতে শুরু করে ওই এলাকায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দুপক্ষের সংঘাতে অন্তত ওই এলাকায় ৫০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। আর তাতে বিএনপির এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি। খালেদা জিয়ার সমর্থকদের অভিযোগ, পরিস্থিতি শান্ত হলে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা গুলি চালাতে শুরু করে। আর তাতেই সুজাত নামে এক বিএনপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়।
তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় আহত আরও বেশ কয়েকজন। ঘটনাস্থলে ডিবি টিম, পুলিশ, যৌথবাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেটও। অন্যদিকে বাংলাদেশের আরও বেশ কয়েকটি জায়গা থেকেও এদিন অশান্তির খবর সামনে এসেছে। আর তাতেই আরও একবার স্পষ্ট যে ইউনূসের আমলে আইনশৃঙ্খলা একেবারে ভেঙে পড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications