পুতিনকে যুদ্ধপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করল আমেরিকা
পুতিনকে যুদ্ধপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করল আমেরিকা
মার্কিন সেনেট মঙ্গলবার সর্বসম্মতিক্রমে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করেছে৷ এবং একই সঙ্গে ইউক্রেনে পুতিনের আগ্রাসনের নিন্দা করে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। যা বহুবিভক্ত মার্কিন কংগ্রেসে ঐক্যের একটি বিরল দৃশ্য। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম দ্বারা প্রবর্তিত এবং উভয় পক্ষের সেনেটরদের দ্বারা সমর্থিত। এই রেজুলেশনটি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং অন্যান্য দেশগুলিকে রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের বিরোধিতায় উৎসাহ দেবে৷ একই সঙ্গে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধে আরও আগ্রাসী হতে বাধা দেবে বলে অনেকে মনে করছেন।

এদিন, মার্কিন ডেমোক্রেটিক সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার ভোটের আগে সেনেটের ফ্লোরে এক বক্তৃতায় বলেন,
এই চেম্বারে আমরা সব ডেমোক্র্যাটরা এবং রিপাবলিকানদের সঙ্গে একত্রে যোগ দিয়েছিলাম। যে বিষয়ে মূল আলোচনা হয় সেটি হল যে, ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহি এড়াতে পারবেন না। অন্যদিকে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের বিষয়টিকে কিয়েভকে নিরস্ত্রীকরণ এবং বিদেশি শক্তির সঙ্গে জোট না করতে দেওয়ার জন্য একটি 'বিশেষ সামরিক অভিযান' বলে অভিহিত করেছে। পুতিন ইউক্রেনকে একটি মার্কিন উপনিবেশ বলে অভিহিত করেছেন। যেখানে পুতুলের শাসন চলছে এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের কোনো ঐতিহ্যই নেই।
২৪ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইউক্রেনের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের পরও ইউক্রেনের ১০টি বৃহত্তম শহরগুলির একটিও দখল করেনি রাশিয়া। যদিও কিয়েভের বাইরে ফৌজ সাজিয়ে রেখেছে রদশিয়ানরা৷ অন্যদিকে, কয়েক দশকে একটি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের উপর এটিই সবচেয়ে বড় হামলা বলে চিহ্নিত করে।
প্রসঙ্গত, ২১ নম্বর দিনে পড়ল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দু'দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই গত সোমবার ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ভারত মনে করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে একটি জরুরি যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন রয়েছে৷ একই সঙ্গে রাশিয়া-ইউক্রেনের সমস্ত শত্রুতার অবসানের জন্য শান্তি আলোচনার কথাও বলেছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘে নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখার সময় ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি আর রবীন্দ্র বলেন, 'আমাদের প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) বারবার জরুরি যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। সংলাপ ও কূটনীতি ছাড়া আর কোনো পথ বাকি নেই।'












Click it and Unblock the Notifications