সামনে এল ওমিক্রনের নয়া উপসর্গ, এবিষয়ে কী বলছে যুক্তরাজ্যের কোভিড-১৯ ফিটনেস ট্র্যাকিং অ্যাপ?
সামনে এল ওমিক্রনের নয়া উপসর্গ, এবিষয়ে কী বলছে যুক্তরাজ্যের কোভিড-১৯ ফিটনেস ট্র্যাকিং অ্যাপ?
নতুন বছরেও বিশ্বজুড়ে রীতিমত তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। বি.১.১.৫২৯ কোভিড ভেরিয়েন্ট বা ওমিক্রনের খোঁজ প্রথম মেলে দক্ষিণ আফ্রিকায়। আর মাত্র একমাসের মধ্যেই বিশ্বের আক্রান্ত দেশের সংখ্যায় সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে করোনার এই নয়া প্রজাতি। আর যা রীতিমত কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসক মহলের। প্রথম থেকেই এবিষয়ে সতর্ক করেছে 'হু'। আর এর পরেই গোটা বিশ্বের একাধিক দেশে ওমিক্রনের নতুন কোনও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা তা নিয়ে চলছে গবেষণা। সেই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আবার সামনে এল ওমিক্রনের একজোড়া উপসর্গ।

ওমিক্রনের নতুন উপসর্গ
যুক্তরাজ্যের একটি কোভিড-১৯ ফিটনেস ট্র্যাকিং অ্যাপ যা 'জয়ে (ZOE) কোভিড স্টাডি অ্যাপ' নামে পরিচিত, তার সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই নয়া তথ্য। ইদানিং দুটি নতুন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে ওমিক্রন আক্রান্তদের মধ্যে। রোগীদের মধ্যে বেশকিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বমি বমি ভাব এবং ক্ষুধা হ্রাস পাওয়ার লক্ষণ।

লন্ডনের অধ্যাপকের দাবি
কিংস কলেজ লন্ডনের জেনেটিক এপিডেমিওলজির অধ্যাপক টিম স্পেক্টর এই গোটা গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি দাবি করছেন যাঁদের দুটি টিকার ডোজ বা একটি টিকার সম্পূর্ণ ডোজ দেওয়া রয়েছে, এমনকি যাঁদের বুস্টার ডোজও দেওয়া রয়েছে তাঁরাও আক্রান্ত হচ্ছেন করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে। সেক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা মিলছে এই নতুন উপসর্গগুলির। সম্প্রতি তিনি একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, ওমিক্রন আক্রান্তদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বমি বমি ভাব, ক্ষুধার অভাব, সামান্য তাপমাত্রা, গলা ব্যথা এবং মাথাব্যথা ছিল।

জয়ে অ্যাপের সতর্কতা
'ইউ কে'র এই অ্যাপের বক্তব্য অনুসারে, ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ কম। যদিও সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ওমিক্রন এবং ডেল্টা দীর্ঘমেয়াদী লক্ষণগুলির সঙ্গে এটি প্রতি ৫০ জনের মধ্যে ১ জনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। তাই করোনা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে এই অ্যাপটি, যেগুলি হল,
ওমিক্রনের সমস্ত লক্ষণগুলি চেনা, সঠিক ভাবে পরীক্ষা করার পর উপসর্গ গুলি অনুভব করলে সেগুলিকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা দরকার।
এলাকায় করোনা সংক্রমণের মাত্রা লাগাম ছাড়া হলে তাহলে বাড়িতে থাকা এবং সামাজিক যোগাযোগ কমানোর কথা বিবেচনা করা সবার আগে দরকার।
টিকা নেওয়া এবং মাস্কের ব্যবহার অতি অবশ্যই করতে হবে। খাদ্যাভ্যাসের ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করা যায়।












Click it and Unblock the Notifications