Chinmoy Das: উত্তাল বাংলাদেশে জয় শ্রী রাম! সনাতনীদের বড় বার্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের, মুখ খুললেন ইউনূস
Chinmoy Das: ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারি ঘিরে ফের উত্তাল বাংলাদেশ। সেনাবাহিনী বিভিন্ন জায়গায় চিন্ময়ের ভক্ত ও অনুগামীদের উপর লাঠিচার্জ করেছে।
এরই মধ্যে এক আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে চট্টগ্রামে। যার নিন্দা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ডা. মহম্মদ ইউনূসের।

বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরিক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে গতকাল ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময়। তারপরই বাংলাদেশে শুরু হয় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ।
চট্টগ্রামের আদালতে চিন্ময় দাসকে পেশের সময় তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তবে জামিন পাননি এই সন্ন্যাসী। ভারত সরকারের তরফে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ, চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সংঘর্ষের সময় এক আইনজীবী আজ বিকেলে নিহত হন।
বিক্ষোভকারীরা ওই আইনজীবীকে চেম্বারের নীচের থেকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফ। বছর ৩৫-এর আইনজীবী সহকারী সরকারি কৌঁসুলি। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে। তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ হয়ে গেলে প্রিজন ভ্যানে যখন তোলা হচ্ছিল তখনই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। স্থানীয় সময় বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাসের শেল প্রয়োগ ও লাঠিপেটার মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। অনেকে আহত হয়েছেন।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রিজন ভ্যান থেকে বলেন, আমরা সনাতনীরা ঐকবদ্ধ বাংলাদেশ চাই। আমরা দেশ বা সরকারের বিরোধী নই। আমরা সনাতনীরা এই দেশের অংশ। অস্থিরতা চাই না, ধ্বংসাত্মক কিছু পছন্দ করি না। সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান চাই।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ রেখে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য ভক্তদের বার্তা দেন 'চিন্ময় প্রভু'। তাঁর প্রিজন ভ্যান ঘিরে ওঠে জয় শ্রীরাম স্লোগান। আইনজীবী হত্যার নিন্দা করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ডা. ইউনূস। তিনি হত্যাকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দেন।
ধৈর্ষ ধরে থেকে, অনভিপ্রেত কিছু কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার আবেদন জানান ইউনূস। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রকের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গির আলি চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির পিছনে দেশের বাইরের ও দেশের ভিতরের দু-একটি দল আছে। তাদের ইন্ধন থাকতে পারে। যাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তাদেরও ইন্ধন থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications