'নষ্ট করার মতো সময় নেই', আমেরিকার অনুদান বন্ধের ঘোষণার পরই হু কী জানিয়ে দিল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর ওপর প্রবলভাবে ক্ষুব্ধ তা আগেও বহুবার প্রকাশ্যে এসেছে। তবে , এবার তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে হু-কে তারা আর্থিক অনুদান দেওয়া বন্ধ করছেন। এরপরেই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে এলো বড়সড় বার্তা।

টুইট যুদ্ধে হু !
এদিন ট্রাম্পের হুমকি বার্তার পর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে প্রধান গ্যাব্রিয়েসস জানিয়েছেন, ' নষ্ট করার মতো সময় নেই। হুয়ের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, মানুষের প্রাণ বাঁচানো। আর কোভিড ১৯ মহামারীকে রুখে দেওয়া। ' স্বভাবতই আমেরিকার হুঁশিয়ারিকে যে হু খুব একটা আমল দিতে চাইছে না তা বলাই বাহুল্য।

হু-এর বার্তা
আমেরিকার আর্থিক সাহায্য বন্ধের ঘোষণাকে কার্যত তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন টেড্রস গ্যাব্রিয়েসস। তিনি জানান, গত কয়েক মাসে দেখা গিয়েছে যে যত বেশি টেস্টিং হবে , তত বেশি খোঁজ পাওয়া যাবে কোভডি ১৯ আক্রান্তের। যত দ্রুত সব কাজ হবে তত কোভডি দংশন থামানো যাবে বলে তিনি । এতে প্রাণ ও আর্থিক পরিস্থিতি দুটিই রক্ষা করা যাবে।

হু-র অনুদান বন্ধ
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বিরুদ্ধে চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল আমেরিকা। এবার সেটা কাজে করে দেখাল। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে হু। এই অভিযোগে আর্থিক অনুদান বন্ধ করল আমেরিকা। সাংবাদিক ৈবঠক করে ট্রাম্প জানিয়েছেন চিনের উহান থেকে করোনা সংক্রমণ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি হু। সেকারণেই এই চরম সিদ্ধান্ত।

হুয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ
করোনা দমনে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার আপারদর্শিতাই বারবার আমেরিকার ক্ষোভের দৃষ্টিতে এনেছে হুকে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের মারণ রূপ জানার পরেও চিনকে আড়াল করতে চুপ করে থেকেছে বলে অভিযোগ করেছিল আমেরিকা। হু চিন কেন্দ্রীক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগও করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ব্যর্থতার জন্য হু-র অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। করোনা মহামারীর আকার নিচ্ছে জেনেও সেটা নিয়ন্ত্রণে কোনও উদ্যোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

অনুদান বন্ধ হওয়ায় হু-তে কোন প্রভাব?
মার্কিন সাহায্য বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি বন্ধ হওয়ায় ব্যাপক ধাক্কা খাবে হু। আমেরিকার কাছ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলার আর্থিক সাহায্যে পায় হু। যা বার্ষিক বাজেটের প্রায় ১৫ শতাংশ বলে জানা গিয়েছে। সেটা হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে একাধিক দরিদ্র দেশের স্বাস্থ্যকর্মসূচি।












Click it and Unblock the Notifications