করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন: বাংলাদেশে টিকার জন্য ‘স্পট রেজিস্ট্রেশন’ বন্ধ হচ্ছে

শুরু থেকেই ‘স্পট রেজিস্ট্রেশন’ অর্থাৎ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে রেজিস্ট্রেশন করে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা ছিল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, এজন্য গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালগুলোতে ব্যাপক চাপ পড়ছে।

বাংলাদেশে 'স্পট রেজিস্ট্রেশন' অর্থাৎ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে রেজিস্ট্রেশন করে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে সরকার জানিয়েছে।

এখন থেকে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করা মানুষেরা কেবল নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ঢাকায় বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন।

তবে কবে থেকে সেটি বন্ধ হবে, সেটা তিনি নির্দিষ্ট করে বলেননি ।

তিনি বলেছেন, "দেখা যাচ্ছে, যারা অন-দ্য-স্পট রেজিস্ট্রেশন করছে, তাদের সংখ্যাই বেশি। আর যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন কষ্ট করে তারাই ঢুকতে পারছেন না।

এখন আমাদের যেহেতু রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে হচ্ছে, ১০ লক্ষের বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, তাই এখন থেকে অন-দ্য-স্পট রেজিস্ট্রেশন আর করবো না আমরা।"

আরো পড়তে পারেন:

গণ-টিকাদান কর্মসূচির শুরুর দিনে ভ্যাকসিন নিলেন যারা

প্রথম ধাপে ৬০ লাখ ডোজ টিকা দেবার পরিকল্পনা কীভাবে কাজ করবে

শর্ত শিথিল করলো সরকার, আরো যারা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন

বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনাভাইরাস টিকার নিবন্ধনে সহায়তা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা

তিনি বলেন, "এখন থেকে যারা নিবন্ধন করে আসবেন, শুধু তাদেরই ভ্যাকসিনেট করবো। আর ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন পড়ে তখন আমরা আবার জানাবো, তখন টিকাদান কেন্দ্রে এসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকা দেয়া যাবে।"

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, এ পর্যন্ত তিন লাখের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন।

বাংলাদেশে ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে একসঙ্গে সহস্রাধিক হাসপাতালে শুরু হয়েছে গণ-টিকাদান কর্মসূচি।

অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত এবং ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড নামে টিকা এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ কয়েকজন মন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু আনুষ্ঠানিক টিকাদান কর্মসূচি শুরুর আগে প্রত্যাশামাফিক রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অন-দ্য-স্পট রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়।

চালুর পর প্রথম দিনে মোট টিকা নেন একত্রিশ হাজার একশ ষাট জন।

এরপর ৮ই ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকা দিতে বয়সসীমার ক্ষেত্রেও শর্ত কিছুটা শিথিল করে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টিকা গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় টিকাদান কর্মসূচি
BBC
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টিকা গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় টিকাদান কর্মসূচি

শুরুতে বলা হয়েছিল প্রথম দফা টিকাদান কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখসারিতে থাকা মানুষেরা এবং ৫৫ বছরের বেশি বয়সীরা টিকা নিতে পারবেন।

কিন্তু সোমবার আনা পরিবর্তনে বলা হয় এখন থেকে ৪০ বছরের বেশি বয়সীরাও স্থানীয় যে কোন সরকারি হাসপাতালে গিয়ে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পারবেন, নিবন্ধনও সেখানেই করানো যাবে।

এখন সে নিয়মেও পরিবর্তন আসছে।

প্রথম দুইদিন টিকা কেন্দ্রগুলোতে তেমন ভিড়ের কথা শোনা না গেলেও, গত দুইদিন ধরে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ টিকা নিতে কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হচ্ছিলেন।

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার জন্য গ্রামাঞ্চলে এবং যাদের স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের সুবিধা নেই, তাদের জন্য কাছের টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা নেয়ার সুযোগ করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনে করেন, ভ্যাকসিনের ওপর মানুষের কনফিডেন্স বাড়ছে, সে কারণে ভিড় বাড়ছে।

তিনি বলছেন, এর ফলে হাসপাতাগুলোর ওপরও চাপ বাড়ছে।

BBC
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+