করোনার গ্রাসে আমেরিকা থেকে আফ্রিকা! মহাদেশগুলির পরিস্থিতি একনজরে দেখুন
করোনার গ্রাসে আমেরিকা থেকে আফ্রিকা! মহাদেশগুলির পরিস্থিতি একনজরে দেখুন
করোনার দানবীয় প্রহারে রীতিমতো ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। দিনের পর দিন সেখানে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এত দ্রুতহারে মৃত্যু মিছিল দেখে সন্ত্রস্ত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশের চিকিৎসকরাও। এমন পরিস্থিতিতে, আমেরিকায় এই হানা যতটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তার চেয়েও বেশি বিপদ বেড়েছে আফ্রিকা নিয়ে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক , বিভিন্ন মহাদেশের পরিস্থিতি।

ইওরোপের পরিস্থিতি
গোটা ইওরোপ জুড়ে ৯৭৪৯৭১ জন আক্রান্ত করোনায়। নতুন করে ৪২১ জনের দেহে মিলেছে এই মহাদেশে করোনার সংক্রমণ। ইওরোপ মহাদেশে মৃতের সংখ্যা ৮৮, ৩৯১ জন। নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্পেন ইতালিতে কী পরিস্থিতি?
ইওরোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্পেন। সেদেশে ১৮০৬৫৯ জন আক্রান্ত করোনা ভাইরাসে। মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার। এরপরই রয়েছে ইতালি, সেখানে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। ইতালিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৫১৫৫ জন।

উত্তর আমেরিকার পরিস্থিতি
উত্তর আমেরিকায় ৬৮৯৩৮১ জন আক্রান্ত। নতুন করে ৭৩৭ জনের দেহে মিলেছে করোনার সংক্রমণ। মোট মৃতের সংখ্যা ৩০, ৪৫০ জন। নতুন করে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো।

এশিয়া
এশিয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩৪১১৯। নতুন করে মহাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২২ জনের কিছু বেশি। নতুন করে আপাতত ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। মোট মৃতের সংখ্যা ১২১১৩ জন।

দেশের বিচারে এশিয়া
করোনার আঁতুর ঘর চিন আপাতত এই মহাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ৩ হাজার পেরিয়েছে সেদেশে মৃত্যুর সংখ্যা। এরপরই রয়েছে ইরান। সেদেশে ৭৬ হাজারের বেশি জন আক্রান্ত করোনায়। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তুরস্ক সেদেশে ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত।

দক্ষিণ আমেরিকা
দক্ষিণ আমেরিকায় মোট আক্রান্ত ৬৩৬৬১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৮০১ জনের। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাজিল। সেখানে ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। এরপরই রয়েছে পেরু, চিলি।

আফ্রিকা
আফ্রিকায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা ৯১৩ জন। এই মহাদেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর ও আলজেরিয়া।

ওশিয়ানিয়া
ওশিয়ানিয়ায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশ অস্ট্রেলিয়া। সেদেশে ৬ হাজার জন আক্রান্ত। মৃত্য়ু হয়েছে ৬৩ জনের। তারপর রয়েছে নিউজিল্যান্ড। সেখানে ১ হাজারের বেশি আক্রান্ত। ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ গোলার্ধের ওশিয়ানিয়ায় মোট আক্রান্ত ৭৯৫৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের।












Click it and Unblock the Notifications