মাত্র ছয়মাসের মধ্যেই...! ব্যর্থ ইউনূস, আবার আগুন জ্বলবে বাংলাদেশে? কী বলছেন ওপারের মানুষ
Bangladesh: শেষ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে গিয়েছে বেশ কয়েক মাস পেরিয়ে গিয়েছে! ইউনূসের হাতে দেশের ক্ষমতা। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে অর্থনীতি, কার্যত সবটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে সে দেশে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রত্যেকদিনই কার্যত একের পর এক খুন-ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে। একই ভাবে বাড়ছে বেকারত্বে জ্বালাও।
গত কয়েক মাসে একের পর এক কারখানা বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছে। বাংলাদেশে বস্ত্র শিল্পের কথা গোটা বিশ্বই জানে! বহু গ্লোবাল সংস্থা সে দেশের মাটিতে কাপড়-জামা কিংবা প্যান্ট তৈরি করায়। এবং তা গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। গত কয়েকমাস ধরে চলা রাজনৈতিক সঙ্কট এবনবগ বিভিন্ন অচলবস্তার কারণে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে বড় সঙ্কট তৈরি হয়েছে।

শুধু রাজনৈতিক পরিস্থিতি নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লাগাতার শ্রমিক অসন্তোষ, জ্বালানি সংকটসহ নানাবিধ চ্যালেঞ্জ। আর সেই কারনে বহু গ্লোবাল এবং দেশীয় সংস্থা এই শিল্প থেকে নিজেদের নজর ঘোরাতে শুরু করেছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক এবং রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, গত ছয় মাসে ১০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশে। যার ফলে বেকার হয়েছেন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার শ্রমিক। শুধু তাই নয়, শতাধিকেরও বেশি এমন কারখানা আছে যারা দিনের পর দিন শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছে না। কার্যত টাকা ছাড়াই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন শ্রমিকরা। তাতে মান খারাপ হচ্ছে বলে বিজিএমইএ'র।
যদিও এই পরিস্থিতির জন্য বর্তমান বাংলাদেশ সরকারকেই দায়ী করছেন একাধিক সংস্থার মালিক। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তাঁরা বলছেন, বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক ছোট কারখানার দিকে নজর দেয় না সরকার। গুটি কয়েক বড় সংস্থাকে দেখা হলেও সরকার বহু ছোট সংস্থার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উদাসীন বলে দাবি মালিকদের। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন মালিকরা।
এই অবস্থায় বহু সংস্থা যে ভারতের দিকে ঝুঁকছে তাও কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন বহু কারখানার মালিক। একই দাবি করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক এবং রফতানিকারক সমিতি'র প্রধান মহিউদ্দিন রুবেলও। তাঁর কথায়, ছোট এবং মাঝারি কারখানাগুলি সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে। শ্রমিক অসন্তোষ দিনে দিনে বাড়ছে। এতে কাজের পরিবেশ ক্রমশ নষ্ট হচ্ছে। এই অবস্থায় বহু গ্লোবাল সংস্থা, ক্রেতারা ভারতের দিকে ঝুঁকছে বলে দাবি মহিউদ্দিন রুবেলের। সেখান থেকেই রফতানি বাড়ছে বলে দাবি তাঁর।
এই অবস্থায় এই শিল্পের উপর ইউনূস সরকার নজর না দিলে পরিস্থিতি যে আরও খারাপ হবে তা মেনে নিয়েছেন বিজিএমইএ। শুধু বস্ত্র শিল্পেই নয়, অন্যান্য শিল্পেরও পরিস্থিতি ভালো নয়। কার্যত প্রত্যেকদিনই একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর এমন অবস্থা চলতে থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের এক নাগরিক জানিয়েছেন, একের পর এক কারখানা বিন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে সরকার সম্পুর উদাসীন। যা নিয়ে মানুষ ক্ষুব্ধ। আন্দোলন যে সঠিক ছিল না আজ অনেকেই তা বুঝতে পারছেন বলে মন্তব্য করেছেন ওই ব্যক্তি।
-
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস












Click it and Unblock the Notifications