‘রাজ্যের মানুষের অনুভূতি বোঝে না,’ ‘হায়দরাবাদ মুক্তি’র দিনেই রনংদেহী শাহ ও কেসিআর
কেসিআর ও অমিত শাহের সংঘাতের মধ্যেই তেলেঙ্গানা ভারতে যুক্ত হওয়ার দিনটি পালন করছে
১৯৪৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদে নিজাম শাসনের অবসান হয়েছিল। হায়দরাবাদ সরাসরি ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। তেলেঙ্গানার মানুষ এই দিনটি উদযাপন করছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও একদিকে যেমন 'তেলেঙ্গানা জাতীয় সংহতি দিবস' পালন করছেন, ঠিক সেই সময় কয়েক কিলোমিটার দূরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভিন্ন নামে দিনটি উদযাপন করছেন। অমিত শাহ 'হায়দরাবাদ মুক্তি দিবস' নামে ঐতিহিসাক দিনটি উদযাপন করছেন।

তেলেঙ্গানা জাতীয় সংহতি দিবস পালন
সম্প্রতি কেন্দ্রের সঙ্গে তেলেঙ্গানা সরকারের দুরত্ব বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, রাজ্য সরকারের দুরত্ব তত বাড়বে। তবে শনিবার ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দুরত্ব দেখিয়ে দেয়। শনিবার সকালে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও পাবলিক গার্ডেনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন, 'তেলেঙ্গানা জাতীয় সংহতি দিবস' উদযাপন করেন। ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৭ কিমি দূরে সেকেন্দ্রাবাদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও 'হায়দরাবাদ মুক্তি দিবস' চিহ্নিত করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

‘হায়দরাবাদ মুক্তি দিবস’
'হায়দরাবাদ মুক্তি দিবস' উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সর্দার তিনি না থাকলে হায়দরাবাদ মুক্ত হতে আরও অনেক বছর লেগে যেত। বল্লভাই প্যাটেলের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, বল্লভাই প্যাটেল না থাকলে হায়দরাবাদ মুক্ত হতে আরও অনেক বছর লেগে যেত। তিনি বলেন, সারা দেশের হায়দরাবাদ মুক্তি দিবস পালন করা উচিত। তিনি তেলেঙ্গানা সরকারকে খোঁচা দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও হায়রদাবাদ মুক্তি দিবস পালনের সাহস রাজ্য সরকারের নেই। তেলেঙ্গানা সরকার ভোট ব্যাঙ্কের দিকে তাকিয়ে হায়দরাবাদ সাহস দেখাতে পারেননি বলে তিনি মনে করেছেন।

তেলেঙ্গানা সরকার ভয় পাচ্ছে!
অমিত শাহ অভিযোগ করেন, 'অনেকেই নির্বাচনের সময় মুক্তিযুদ্ধ দিবস পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরে তাঁরা ভয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেন। আমি বলতে চাই আপনারা ভয়কে দূরে সরিয়ে রাখুন। এই ভয়ের জন্য দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।'

অমিত শাহকে কটাক্ষ
জানা যায়, অমিত শাহের অনুষ্ঠানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু কে চন্দ্রশেখর রাও সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তেলেঙ্গানা গত আট বছর ধরে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। তেলেঙ্গানার জনগণকে অধিকার, মর্যাদা এবং আত্মসম্মানের জন্য লড়াই দীর্ঘ লড়াই করতে হয়েছিল। তিনি বলেন, 'আমি চাই না, তেলেঙ্গানার মানুষ দ্বিতীয়বার একই লড়াই করুক।' অমিত শাহের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, 'আপনাদের যাতে নতুন করে কোনও অশান্তির মধ্যে পড়তে না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক করা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু সুবিধাভোগী মানুষ রাজ্যের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।'
-
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ











Click it and Unblock the Notifications