Chandrayaan 3: নাসার যান চাঁদে পৌঁছেছিল ৪ দিনে, চন্দ্রযান-৩র কেন ৪০ দিন সময় লাগছে জেনে নিন
আজ চাঁদে ইতিহাস গড়তে চলেছে ভারত। এই প্রথম চাঁদের দক্ষিণ দিকে পৃথিবীর কোনও যান পা রাখতে চলেছে। তাই গোটা দেশের কাছে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। পৃথিবীর মাটি ছাড়ার পর চাঁদের কাছে পৌঁছতে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)র মোট ৪০ দিন সময় লেগেছে।
কিন্তু এতোদিন কি সত্যিই সময় লাগে চাঁদের কাছে পৌঁছতে। কারণ এর আগে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা চাঁদ অভিযান করেছে। তাতে মাত্র ৪ দিনেই তাদের যান অ্যাপোলো-১১ পৌঁছে গিয়েছিল চাঁদে। চিনের চাঁদ অভিযানও ৫ দিনে হয়ে গিয়েছিল। এমনকী রাশিয়ার লুনার-২৫ মাত্র সাত দিেনর মধ্যে চাঁদে পৌঁছে গিয়েছিল।

ইসরোর চন্দ্রযান-৩ যাত্রা শুরু করেছিল ১৪ জুন। তারপর থেকে ধাপে ধাপে এগিয়েছে চন্দ্রযান-৩। ২২ দিন পর চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল সেটি। এবং ২০ অগাস্ট সেটি চাঁদের কাছাকাছি এসে পৌঁছয়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অন্যান্য দেশের চন্দ্রযান যেখানে এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করে দেখিয়েছে তখন ভারতের কেন এতো সময় লাগছে। এর নেপথ্যে অনেক কারণ রয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
চন্দ্রযান-৩র চাঁদে পৌঁছতে ৪০ দিন সময় লাগার নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হল জ্বালানি এবং সীমাবদ্ধতা। ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী মণীশ পুরোহিত এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, যে বাহনে করে চন্দ্রযান-৩ পাড়ি দিয়েছে চাঁদের পথে সেই বাহনের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ধাপে ধাপে চাঁদের কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে চন্দ্রযান-৩কে। সেকারণেই সময় বেশি লেগেছে।
অন্যদিকে রাশিয়ার চন্দ্রযান লুনা-২৫ যে বাহনে করে চাঁদের পথে পাড়ি দিয়েছিল তার শক্তি অনেক বেশি ছিল। সেকারণে তারা পাঁচ দিনের মধ্যে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে পেরেছিল। সেই সঙ্গে জ্বালানিও একটা বড় কারণ। জ্বালানি যাতে কম খরচ হয় সেকারণে গতি কম রাখা হয়েছিল চন্দ্রযান-৩র। কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চায়নি ইসরো। যার জন্যেই ধীর গতিতে চন্দ্রযান-৩কে চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইসরো।












Click it and Unblock the Notifications